এবারের বিশ্ব ডিম দিবস, সেই দিন উদ্যাপনে তিন টাকায় ডিম বিক্রির ঘোষণা এবং ফলাফলে যা ঘটল, তার ‘প্রাপ্তি’ কিন্তু কম নয়। তিন টাকায় ডিম কিনতে না পারা এবং এ নিয়ে হুড়োহুড়ি ও পুলিশের লাঠির বাড়ি ভোক্তাদের ক্ষুব্ধ করেছে। আয়োজকদের পরিকল্পনাহীনতা ও বাস্তব বুদ্ধির সমালোচনা হয়েছে। যাঁরা তিন টাকায় ডিম কেনার ভাবনা মাথায় আনেননি, তাঁরা অনেকেই এই ডিমকাণ্ড থেকে বিনোদনের খোরাক পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে হাসিঠাট্টা করেছেন। আবার ‘চিন্তাশীল’ মানুষের জন্য ঘটনাটি ভাবনার খোরাক হিসেবেও কিন্তু মন্দ নয়।
ডিম দিবস উদ্যাপনের উদ্দেশ্য পরিষ্কার। ডিমের ব্যাপারে মানুষকে উৎসাহিত করা। মানুষ যত ডিম খাবে বা ডিম খাওয়ায় অভ্যস্ত হবে, তাতে ব্যবসা ভালো হবে। এই উদ্যোগে কোনো সমস্যা নেই। যেকোনো আয়োজনে অভিনবত্ব লাগে। সম্ভবত সে কারণেই চমক হিসেবে আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল ডিম দিবসে তিন টাকা দামে ডিম বিক্রির ঘোষণা দেয়। তবে প্রতিটি ডিমে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ টাকা বাঁচাতে যে এমন পরিস্থিতি হতে পারে, তা সম্ভবত আয়োজকদের কল্পনারও বাইরে ছিল। ভোর ছয়টায় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক ক্রেতা ডিম পাননি। এ নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে, পুলিশের লাঠিপেটা হয়েছে, ডিম ভেঙেছে, লুট হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত এই উদ্যোগ পণ্ড হয়েছে।
এমন পরিস্থিতির দায় আয়োজকদের। কারণ, দেড় কোটির বেশি জনগোষ্ঠীর ঢাকা শহরে এ ধরনের একটি ঘোষণার ফল কী হতে পারে, তা তাঁদের আন্দাজ করা উচিত ছিল। তবে উদ্দেশ্য যেহেতু ‘ডিম’, সেখানে আয়োজকদের সফলই বলতে হবে। যেভাবেই হোক, দিনটিকে তাঁরা ডিমময় করতে পেরেছেন।
আয়োজকেরা একজনের কাছে সর্বোচ্চ ৯০টি ডিম বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। সেই হিসাবে এই পরিমাণ ডিমের ক্রেতা সর্বোচ্চ ৪৫০ টাকা সাশ্রয় করতে পারেন। এই অর্থ বাঁচাতে লোকজন এত মরিয়া হয়ে উঠলেন কেন, তা গবেষণার একটি বিষয় বটে। ‘মূল্যহ্রাস’-এর প্রতি ভোক্তাদের আকর্ষণ যে লাভ-ক্ষতির হিসাবের সঙ্গে খুব যুক্ত নয়, তা আবার টের পাওয়া গেল। ভোক্তার মানসিক গড়ন বা চাহিদা—এসব নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে। ডিম আমাদের প্রতিদিনের পুষ্টি জোগায়, কিন্তু বিশ্ব ডিম দিবস এবার আমাদের কিছু ভাবনার খোরাক জুগিয়ে গেল।
ডিম দিবস উদ্যাপনের উদ্দেশ্য পরিষ্কার। ডিমের ব্যাপারে মানুষকে উৎসাহিত করা। মানুষ যত ডিম খাবে বা ডিম খাওয়ায় অভ্যস্ত হবে, তাতে ব্যবসা ভালো হবে। এই উদ্যোগে কোনো সমস্যা নেই। যেকোনো আয়োজনে অভিনবত্ব লাগে। সম্ভবত সে কারণেই চমক হিসেবে আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল ডিম দিবসে তিন টাকা দামে ডিম বিক্রির ঘোষণা দেয়। তবে প্রতিটি ডিমে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ টাকা বাঁচাতে যে এমন পরিস্থিতি হতে পারে, তা সম্ভবত আয়োজকদের কল্পনারও বাইরে ছিল। ভোর ছয়টায় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক ক্রেতা ডিম পাননি। এ নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে, পুলিশের লাঠিপেটা হয়েছে, ডিম ভেঙেছে, লুট হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত এই উদ্যোগ পণ্ড হয়েছে।
এমন পরিস্থিতির দায় আয়োজকদের। কারণ, দেড় কোটির বেশি জনগোষ্ঠীর ঢাকা শহরে এ ধরনের একটি ঘোষণার ফল কী হতে পারে, তা তাঁদের আন্দাজ করা উচিত ছিল। তবে উদ্দেশ্য যেহেতু ‘ডিম’, সেখানে আয়োজকদের সফলই বলতে হবে। যেভাবেই হোক, দিনটিকে তাঁরা ডিমময় করতে পেরেছেন।
আয়োজকেরা একজনের কাছে সর্বোচ্চ ৯০টি ডিম বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। সেই হিসাবে এই পরিমাণ ডিমের ক্রেতা সর্বোচ্চ ৪৫০ টাকা সাশ্রয় করতে পারেন। এই অর্থ বাঁচাতে লোকজন এত মরিয়া হয়ে উঠলেন কেন, তা গবেষণার একটি বিষয় বটে। ‘মূল্যহ্রাস’-এর প্রতি ভোক্তাদের আকর্ষণ যে লাভ-ক্ষতির হিসাবের সঙ্গে খুব যুক্ত নয়, তা আবার টের পাওয়া গেল। ভোক্তার মানসিক গড়ন বা চাহিদা—এসব নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে। ডিম আমাদের প্রতিদিনের পুষ্টি জোগায়, কিন্তু বিশ্ব ডিম দিবস এবার আমাদের কিছু ভাবনার খোরাক জুগিয়ে গেল।

No comments:
Post a Comment