Monday, 30 October 2017

Real beaten by Girona

Real Madrid suffered a backlash on the field rather than from an expected hostile atmosphere amid political turmoil in Catalonia as they slumped to a shock 2-1 defeat at Girona on Sunday.Goals from Cristhian Stuani and Portu in four second-half minutes cancelled out Isco’s opener for Madrid as Real fell eight points behind La Liga leaders Barcelona after just 10 games.

Madrid were making their first appearance in the deeply divided region since a violence marred October 1 referendum plunged Spain into political crisis.

As a reported one million people joined a rally in Barcelona in favour of Spanish unity on Sunday, just over 100 kilometres away in the pro-independence heartland of Girona, the visitors were expected to receive a hostile reception.

However, it was events on the field that proved far more troublesome for Zinedine Zidane’s men as they lost more ground on rivals Barcelona in the Liga title race.

Chants in favour of independence and “freedom” followed in the 17th minute as is common at Girona and Barcelona home matches to mark the fall of Catalonia in the Spanish War of Succession in 1714.

However, with plenty of Madrid fans present in the capacity 13,500 crowd, there were also plenty of Spanish flags on show.

In their first ever top flight match against the European champions, Girona looked keen to make a mark from the outset and were desperately unlucky not to go in front when Pablo Maffeo’s cross came back off the inside of the post 12 minutes in.

Seconds later, though, the ball was in the Girona net as Madrid broke immediately upfield and Isco tapped home the rebound after Bono parried Cristiano Ronaldo’s initial effort.

Girona continued to dominate the game and hit the woodwork again before half-time when Portu’s flicked header looped over Kiko Casilla and back off the inside of the post.

Real suffered an injury blow days before they travel to face Tottenham Hotspur in the Champions League on Wednesday as Raphael Varane was replaced by Nacho at half-time due to a muscular problem.

And the French international’s presence at the heart of the Madrid defence was badly missed as Stuani jinked past Nacho to fire Girona deservedly level nine minutes into the second-half.

Just four minutes later, Girona were in dreamland as Maffeo’s driven cross was flicked home by Portu and the goal was allowed to stand despite the striker appearing to be in an offside position.

Stuani had a huge chance to make the game safe when chipped the ball beyond Casilla and wide of the far post.

Yet, rather than mount a late comeback as they did so often on route to a first La Liga and Champions League double for 59 years last season, Madrid looked short of energy and ideas in the final half hour as Girona held out for a famous victory.

‘জিনের বাদশাহ বলছি...’

‘জিনের বাদশাহ বলছি...’ বলে যখন-তখন ফোন আসে ফরিদপুরের বটতলা এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে। ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় অর্থসহ মূল্যবান সামগ্রী। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। এই প্রতারক চক্রের তিনজনকে রোববার রাতে ওই এলাকা থেকে আটক করেছেন র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের সদস্যরা।

এই তিনজন হলেন ভাঙ্গা থানার চৎলারপাড় গ্রামের রাসেল মিয়া ও শাকিল মাতুব্বর এবং পাতরাইল গ্রামের সামসু মাতুব্বর।

র‍্যাবের দাবি, এ সময় স্বর্ণের বার বলে প্রচারিত ২২টি পিতলের সরঞ্জাম, ২টি ল্যাপটপ, ২৩টি মোবাইল সেট, ৮১টি সিম কার্ড, ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৪০০ টাকা, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক জব্দ করা হয়।

আজ সোমবার দুপুরে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. রাকিবউজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা ‘জিনের বাদশা বলছি...’ বলে লোকজনকে ফোন করে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। আবার কখনো সাধু-সন্ন্যাসী সেজে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার কথা বলে প্রতারণা করতেন। নারী ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন অর্থসহ মূল্যবান সামগ্রী। যে মোবাইল থেকে কল করতেন, তা স্থায়ীভাবে বন্ধ করে রাখতেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গভীর রাতে ফোন করে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিতেন। আটক তিনজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

র‌্যাব জানায়, এই চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। আটক তিনজনের নামে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানায় মামলা হয়েছে। এরপর তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বার্সা ছেড়ে ভুল করেছেন, মনে করেন নেইমার!


অনেক নাটকের জন্ম দিয়ে এ মৌসুমেই বার্সেলোনা ছেড়েছেন নেইমার। দলবদলের বিশ্ব রেকর্ডকে দুমড়েমুচড়ে গেছেন পিএসজিতে। অর্ধ মৌসুমও যায়নি, এর মধ্যেই নিজের সিদ্ধান্তে মাথা চাপড়াচ্ছেন পিএসজির প্রাণভোমরা। বার্সা ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত এখন ভুল মনে হচ্ছে নেইমারের কাছে।

মেসির ছায়ায় থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন নেইমার। তাঁকে কেন্দ্র করেই খেলা গড়বে দল, সে আশায় প্যারিসে পাড়ি জমিয়েছেন। এর মাঝেই আলো ছড়িয়েছেন নতুন ক্লাবের হয়ে। পিএসজির হয়ে গোলের পর গোল করছেন, সতীর্থদের দিয়ে গোল করাচ্ছেন। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এডিনসন কাভানির সঙ্গী করে বানিয়েছেন আক্রমণভাগের নতুন ত্রিফলা। বিশ্বের যেকোনো রক্ষণভাগের মেরুদণ্ডে ভয়ের চোরাস্রোত বইয়ে দিচ্ছেন তাঁরা।
কিন্তু এত কিছুতেও খুশি হতে পারছেন না। নতুন ক্লাবে এর মধ্যেই কাভানির সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়েছেন। কোচ উনাই এমেরির সঙ্গেও ঠিক মিলছে না তাঁর। এর মাঝেই মার্শেইয়ের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে নিসের ম্যাচে খেলতে পারেননি। এমন ‘ছুটি’ মেলতেই চলে এসেছেন বার্সেলোনায়, প্রিয় বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে।
এক দিকে নতুন ক্লাবে মানাতে পারছেন না। উল্টো দিকে পরিবার বানিয়ে ফেলা বার্সেলোনা তাঁর অনুপস্থিতিতেও দুর্দান্ত খেলছে। এমন পরিস্থিতিতে নেইমারের নাকি মনে হচ্ছে, বড্ড ভুল করে ফেলেছেন। বার্সাতেই থাকলে ভালো করতেন তিনি। অন্তত বার্সেলোনার সরকারি টেলিভিশন ‘বেতেভ’ এমন দাবিই করেছে। বেতেভের এমন সংবাদ সারা ফেলে দিয়েছে ফুটবল অঙ্গনে।
এটা যদি সত্যি হয়ে থাকে তবে সবচেয়ে অস্বস্তিতে পড়বে পিএসজি। ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে একজন খেলোয়াড়কে দলে টেনে এবং রাজসিক সব সুবিধা দেওয়ার পরও যদি মন না পাওয়া যায়, তবে আর কীই-বা করার আছে তাদের! সূত্র: এএস।

অধিনায়ক কোহলির রেকর্ডও তো অবিশ্বাস্য

ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের শতভাগ রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখল ভারত। ১৯৮৮/৮৯ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ঘরের মাঠে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলে সব কটিতেই জয় পেয়েছে ভারতীয়রা। রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির সেঞ্চুরির পর শেষ ওভারগুলোতে জসপ্রীত বুমরার নজরকাড়া বোলিংয়ে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে ৬ রানে জিতেছে ভারত। ২ সেঞ্চুরিসহ তিন ম্যাচে ২৬৩ রান করে সিরিজে সেরা হয়েছেন কোহলি। প্রতি ম্যাচেই কোনো না কোনো রেকর্ড ভাঙাকে যেন অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছেন সময়ের সেরা এই ব্যাটসম্যান। অধিনায়ক কোহলির কিছু রেকর্ডে চোখ বোলানো যাক।

১. কানপুরে ১১৭ রানের ইনিংসটি ছিল অধিনায়ক হিসেবে কোহলির ২০তম শতক। অধিনায়ক হিসেবে এর চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি করেছেন শুধু রিকি পন্টিং (৪১) ও গ্রায়েম স্মিথ (৩৩)।

২. প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে টানা সাতটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ জিতলেন কোহলি। ২০১৬ সালের জুন থেকে এ পর্যন্ত ওয়ানডে সিরিজে অপরাজেয় ভারত। এর মাঝে ৩টি সিরিজ জিতেছে দেশের বাইরে।

৩. ৪৩টি ওয়ানডেতে অধিনায়কত্ব করে ৩৩টি জয় পেয়েছেন কোহলি। ৯টি হার ও ১টি পরিত্যক্ত ম্যাচ হিসাবে নিয়ে জয়ের হার শতকরা ৭৮.৫৭ ভাগ।

৪. ৮৮৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছেন কোহলি। এর আগে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৮৭ পয়েন্ট পেয়েছিলেন শচীন টেন্ডুলকার।

৫. অধিনায়ক হিসেবে এ বছর ৭৬.৮৪ গড়ে ২৬ ম্যাচে ১৪৬০ রান করেছেন কোহলি। ক্রিকেট ইতিহাসে অধিনায়ক হিসেবে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং। ২০০৭ সালে ২৭ ম্যাচে ৭৯.১১ গড়ে ১৪২৪ রান করেছিলেন পন্টিং। এবার তাঁকেও ছাড়িয়ে গেলেন কোহলি।

Friday, 27 October 2017

Humayun 'liked' Tisha, her acting********

Bangladesh actress Nusrat Imrose Tisha has paired up with famous Indian actor Irrfan Khan for the first time in the film Doob : No Bed Of Roses, directed by her husband, filmmaker Mostofa Sarwar Faroooki. She spoke to Prothom Alo about the movie.

The interview is taken by Rashel Mahmud and its text rewritten in English by Toriqul Islam.

Prothom Alo: How did you enjoy pairing up with Irrfan Khan?

Tisha: I was so excited and nervous when I first came to know that Irrfan Khan will star in the film. I was a little bit tensed, too.. Thinking how I would adjust with him and how much comfort he would feel with me during the shoot. But, when the shooting started in Bangladesh, things were not so upsetting. He (Irrfan) did not let us feel that he is such a big artist. In the process, I learnt from him how to be a simple person having such a big exposure.

PA: The director of the film is your husband. Have you ever been scolded by him during the shooting?

Tisha: We had done a lot of works together in the past. We are professional during the shoot. The husband-wife relationship turns to artiste-director relationship during the shooting. He is very cooperative with artistes. And I’m telling you that I did not get any extra advantage being wife of him, rather I was scolded much more than others.

PA: How about your small-screen works?

Tisha: Nowadays, I used to get a lot of offers. I do believe in quality, not in number. I will prefer working for a quality production in the future.

PA: What’s your plan in film career?

Tisha: Meanwhile, I’ve got some offers. I believe in movies. It doesn't matter whether it is commercial or noncommercial one. I think there are two kinds of films - bad or good.

PA: What do you like to read after the script-work?

Tisha: I usually do not get enough time after this. I try to spend the rest of time with my family. Even then, if I get any chance, I try to read either cookbook or animal book. I’m a huge fan of Discovery Channel.

PA: That means, you have a very little chance of reading a book. Could you please mention titles of some books that you like to read?

Tisha: Usually, I do not get enough time to read a novel or stories. Some old novels, for example Anisul Hoque’s Maa and Humayun Ahmed’s Priyotomeshu, are the most favourites.

PA: Did you ever meet Humayun Ahmed?

Tisha: Yeah, I worked for a single drama with him. I got to know him during the shooting. He was a very humourous character and talked with the artistes in very good languages. He told me ‘I like your acting and you’. He also told me that I look alike his daughter Shila. He then gifted me a book.

PA: How do you evaluate Irrfan Khan?

Tisha: He is a big child. He had a lot of questions about every thing around him. He is so cooperative with every artiste, co-artiste and even with production boys. He loves nature. He was mesmerised seeing natural beauty of Bandarban. The very interesting thing is that he had done a difficult job of leaning our language.

Wednesday, 25 October 2017

হারিয়ে গেলেন ইরফান?

ভবিষ্যৎ ওয়াসিম আকরাম? অভিষেকের এক বছরেই যা করছিলেন ইরফান পাঠান, তাঁকে তা-ই মনে করা হতো। তাঁর পারফরম্যান্স এমন উচ্চতা ছুঁয়েছিলে, কদিন পরে মনে হয়েছিল, ইরফানকে অন্য কারও নামে পরিচিত হতে হবে না। পরবর্তী কয়েক বছরে সে পথেই এগোচ্ছিলেন ইরফান। কিন্তু পথ হারিয়ে সেই ইরফানই এখন হারিয়ে বসা এক নাম। ভারতীয় স্কোয়াডের ধারেকাছেও থাকেন না তিনি। এ জন্য ইরফান নিজেকে যেমন দায়ী করেন, তেমনি দায় চাপান ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাঁধেও।


এখন স্থানীয় ক্রিকেটে ব্যস্ত। একসময় ভারতীয় বোলিংকে নেতৃত্ব দেওয়া ইরফান রঞ্জি ট্রফিতে বরোদার নেতৃত্বে আছেন। এখনো স্বপ্ন দেখছেন জাতীয় দলে ফেরার। ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘এ মৌসুমে আমি আগেই শুরু করেছি এবং স্বপ্ন পূরণ করতে যা করা দরকার তার সবকিছুই করছি। এ মৌসুম খুব, খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি জানি, হয়তো এটাই শেষ সুযোগ।’

শেষের ঘণ্টা শোনা ইরফানের শুরুটা হয়েছিল অবিশ্বাস্য। বাঁহাতি সুইং বোলিংয়ের ভবিষ্যৎ হিসেবে তাঁকেই দেখা হচ্ছিল। টেস্টের প্রথম তিন বলেই হ্যাটট্রিক করার অনন্য এক অর্জনও দেখা গেছে তাঁর সুবাদে। কিন্তু একজন অলরাউন্ডারের জন্য ভারতের দুই দশক পুরোনো তৃষ্ণা ও চোট সব নষ্ট করে দিয়েছে। তবে চোটে পড়ার পেছনে বোর্ডেরও দায় দেখেন ইরফান। কীভাবে চোটে পড়েছিলেন, সে স্মৃতি এখনো তাজা ৩৩ বছর বয়সী পেসারের মনে, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ খেলছিলাম, সেমিফাইনাল। আমরা ম্যাচটা হেরেছিলাম। সেদিনই আমরা ভারতে ফিরে এসেছিলাম। দুদিন পরেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন দিনের ম্যাচে নামতে হয়েছিল। সে ম্যাচের তৃতীয় দিনে আবার বরোদা ফিরি। পরদিনই আবার রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে নেমেছি। সেঞ্চুরি করেছিলাম, এক ইনিংসে ২০ ওভারের বেশি বল করেছিলাম। এর মানে টানা নয় দিন খেলার মাঝে ছিলাম আমি। হাঁটুতে ব্যথা শুরু হলো এবং একটা চিড়ও ধরা পড়ল।’

নিজের চোটে পড়ার জন্য অতিরিক্ত কাজের চাপ নেওয়াকে দায়ী করেন ইরফান, ‘দশ দিনের মধ্যে আমি একটা আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে উড়েছি। একটা টি-টোয়েন্টি খেলেছি, ভারতে এসেছি, জেট লেগ থাকা অবস্থায় তিন দিনের ম্যাচ খেলেছি, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৫ করেছি, ২০-২৫ ওভারের বেশি বল করেছি (১৯ ওভার)। আবার বিমানে উঠেছি, রঞ্জি ট্রফির একটা ম্যাচ পুরা খেলেছি এবং শেষ দিনে চোট পেয়েছি। কে এভাবে খেলে? কেউ টানা সাত দিন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে না। আমি এতটাই নিবেদিত ছিলাম এবং শেষ পর্যন্ত চোটে পড়লাম।’

তবে দুঃসময়ে সাহায্য চেয়ে পাননি ইরফান। এ নিয়ে এখনো দুঃখ আছে তাঁর মাঝে, ‘আমি এ নিয়ে এত দিন কথা বলিনি। কিন্তু চোটে পড়ার আগে এটাই হয়েছে। আমাকে “পাওয়ার হাউস” বলত সবাই। কারণ, আমি সারা দিন খেলতে পারতাম, শক্তি কোনো ব্যাপারই ছিল না আমার জন্য। কিন্তু আমার জন্যও মাঝে মাঝে বিষয়টা চাপ হয়ে যেত। মাঝে মাঝে আমি অতিরিক্ত চাপ নিয়ে নিতাম, সেটাই হয়েছিল সেবার। আমার সাহায্য দরকার ছিল। আমি সাহায্য চেয়েছিলাম, কিন্তু পাইনি।’

তবে এ অভিজ্ঞতা যে তাঁকে আরও পরিণত করেছে সেটা মানেন ইরফান। কিন্তু খেলোয়াড়দের দুঃসময়ে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ ইরফান, ‘এই অভিজ্ঞতা থেকে আমি শিক্ষা নিয়েছি। এবং এটাই আমাকে “বর্তমানের আমি” বানিয়েছে। তাই কোনো অনুশোচনা নেই। কিন্তু ফিরে তাকালে যখন কেউ বলে, খুব বেশি প্রথম শ্রেণি খেলিনি, তখন অনেকভাবেই উত্তর দেওয়া যায়। এটা বলে দেওয়া অনেক সহজ, সে কম প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলছে।’

মেসির রক্তাক্ত ছবি দিয়ে আইএসের হুমকি

জঙ্গি সংগঠনের দৌরাত্ম্য নতুন করে বলার কিছু নয়। খোদ লন্ডনই কদিন পর পর শিকার হচ্ছে জঙ্গি হামলার। ফুটবলও এর হাত থেকে মুক্তি পাচ্ছে না। বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বাসে বোমা হামলা হয়েছে। রাশিয়া বিশ্বকাপ নিয়ে বেশ কয়েকবার হুমকি দিয়েছে আইএস (ইসলামিক স্টেট)। গতকাল হুমকি দিতে তারা ব্যবহার করল ফুটবলের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখগুলোর একটি। স্বয়ং লিওনেল মেসিকে রক্তাক্ত করে বিশ্বকাপে ত্রাস ছড়ানোর হুমকি দিয়েছে সংগঠনটি।
ফুটবলের প্রতি আইএসের বিতৃষ্ণা নতুন কিছু নয়। গত বছর ইরাকের রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের ক্লাবে হামলা চালিয়েছিল আইএস। দুই হামলায় ২৮ ফুটবল সমর্থককে খুন করেছিল তারা। এই সংগঠনের নিয়ন্ত্রণাধীন অবস্থায় মসুল শহরে ফুটবল খেলা ছিল আতঙ্কের অন্য নাম। তবে রাশিয়া বিশ্বকাপ নিয়ে তাদের ঘৃণা ছাপিয়ে গেছে সবকিছু। আইএস-পন্থী মিডিয়া সংঘটন ওয়াফা মিডিয়া ফাউন্ডেশন কাল একটি পোস্টার প্রকাশ করেছে। সে ছবিতে দেখা গেছে, হাজতে আটকে থাকা লিওনেল মেসিকে। মেসির চোখ বেয়ে নামছে রক্ত। আর পাশে লেখা ‘জাস্ট টেররিজম’!
এতেও সন্তুষ্ট হয়নি সংগঠনটি। হুমকিটা যেন হেসে কেউ উড়িয়ে না দেয়, সে জন্য আরও লিখে দিয়েছে, ‘তোমরা এমন এক দলের সঙ্গে লড়ছ, যাদের অভিধানে ব্যর্থতা বলে কিছু নেই।’ সাইট ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ সবার নজরে এনেছে এ পোস্টার। সাধারণত আইএসের খবরগুলো এদের মাধ্যমেই বহির্বিশ্ব জানতে পারে।
ওয়াশিংটন পোস্টের এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, এর আগেও এমন হুমকি দিয়েছে আইএস। রাশিয়া বিশ্বকাপের লোগো বিস্ফোরিত হচ্ছে, এমন পোস্টারও ছড়ানো হয়েছিল। এ ছাড়া স্টেডিয়ামের দিকে তাকিয়ে আছেন এক সৈন্য, এমন এক ছবি দিয়ে বলা হয়েছিল, ‘আমি প্রতিজ্ঞা করছি, মুজাহিদদের আগুন তোমাকে পোড়াবে, অপেক্ষায় থাকো।’
এ ছাড়া ‘আমরাই যুদ্ধক্ষেত্র ঠিক করি’ লিখে একটা পোস্টার ছাপিয়েছিল তারা। ইঙ্গিতটা পরিষ্কার, রাশিয়া বিশ্বকাপের ভেন্যুকে যুদ্ধক্ষেত্রে রূপ দিতে চায় আইএস!

সাকিবের ‌‘টি-টোয়েন্টি’ উত্তর

সাকিব আল হাসানের অধিনায়কত্বের দ্বিতীয় পর্বটা শুরু হচ্ছে কাল। এই পর্বের প্রথম সংবাদ সম্মেলনটা টি-টোয়েন্টি ধাঁচেই শুরু করলেন সাকিব আল হাসান। প্রশ্নের ব্যাপ্তি বিশাল, উত্তর ছোট। হোক শুধু টি-টোয়েন্টি সংস্করণ, আবারও বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্ব পেয়ে কতটা রোমাঞ্চিত? সাকিবের উত্তর, ‘কোনো অনুভূতি নেই!’ কালকের ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনা, মাঠের বাইরের বিতর্কিত বিষয় নিয়েও তাঁর উত্তর হলো কাটা-কাটা।
সাকিবের কথায় সংবাদকর্মীদের ‘অ্যাঙ্গেল’ খুঁজে পাওয়া কঠিন হলেও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের কাঁধে সওয়ার হয়েই কাল ব্লুমফন্টেইনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয় খুঁজবে বাংলাদেশ। কিন্তু কাজটা বাংলাদেশের জন্য কতটা কঠিন, না বললেও চলছে। কেন কঠিন, কিছু বাস্তবতা তুলে ধরলেন সাকিব, ‘চ্যালেঞ্জিং তো হয়ই। অনেকের চোটের সমস্যা। টি-টোয়েন্টির জন্য আলাদা দল হয় না আমাদের। ওয়ানডে-টেস্ট খেলে যারা, বেশির ভাগ তাদেরই দেখা যাচ্ছে এই সংস্করণে। স্বাভাবিকভাবে দল নির্বাচনে ওইভাবে চিন্তার সুযোগও নেই। খেলোয়াড়ই আছে ১৪ জন। এখান থেকেই সেরা একাদশ করতে হবে। আমাদের জন্য এটা ভালো সুযোগও। এ পরিস্থিতিতেও ভালো জায়গায় যেতে পারলে আমাদের চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখানো যাবে সবাইকে।’
টি-টোয়েন্টি বাংলাদেশের কাছে এখনো গোলকধাঁধা। এই সংস্করণে ভালো করতে হলে কী করতে হবে, সেটি অবশ্য অজানা নয় সাকিবের, ‘অন্য দলের মতো খুব একটা বিগ হিটার নেই আমাদের। ছোট ছোট প্রতিটি বিষয় আমাদের ঠিকভাবে করতে হয়। তা না হলে আমাদের জেতা কঠিন হয়ে যায় এই সংস্করণে। তবে বলব না অসম্ভব। আমাদের এক শতাংশ কাজটাও ঠিকভাবে করতে হবে। একটুও ছাড় দেওয়া যাবে না। তা না হলে আমাদের জয়ের সম্ভাবনা কমে যাবে।’
তামিম-মাশরাফি-মোস্তাফিজের অনুপস্থিতে বাংলাদেশ দলে এখন সবচেয়ে বড় ভরসার নাম সাকিব। দলের নেতাও তিনি। দুই চাপে নুইয়ে পড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। এসব নিয়ে যদিও ভাবতে চাচ্ছেন না সাকিব, ‘যত বেশি চিন্তা করব, তত বেশি ঝামেলা! এই দুটি ম্যাচ দল হিসেবে খেলতে হবে। টি-টোয়েন্টি অনেক ছোট সংস্করণ, এখানে চিন্তা করার সময়ও নেই। এটা আমাদের জন্য ভালো দিক। টেস্ট ও ওয়ানডেতে অনেক চিন্তার সময় থাকে। যত বেশি চিন্তা করা হয়, তত জটিলতা বাড়তে থাকে। এখানে চিন্তার সময় নেই, জটিলতা বাড়ার সুযোগও কম। জিনিসটা সহজ রেখে কাজ করলে দুটি ম্যাচে ভালো খেলা সম্ভব।’
টি-টোয়েন্টির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কমিয়ে আনে ছোট-বড় দলের ব্যবধান। দক্ষিণ আফ্রিকা যতই খেলুক নিজেদের কন্ডিশনে কিংবা পরিসংখ্যান যতই তাদের পক্ষে থাকুক, সাকিবকে আত্মবিশ্বাসী করছে এটিই। এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট-ওয়ানডেতে ফল যা-ই হোক, টি-টোয়েন্টিতে অন্তত ব্যবধানটা খুব বেশি থাকবে না দুই দলের—এটাই আশা বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের।
টি-টোয়েন্টির সেরা খেলোয়াড়দের একজনের কাছে এবার বাংলাদেশেরও উত্তর পাওয়ার পালা। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যে বাংলাদেশকে দেখা যাচ্ছে, দলটা এতটা খারাপ তো নয়!

Shakib seeks Bangladesh turnaround

Shakib Al Hasan will be Bangladesh’s third captain on a disappointing tour of South Africa as they seek to regain some pride in two Twenty20 internationals, starting in Bloemfontein Thursday.

Bangladesh’s all-time leading all-rounder was reappointed T20 captain after a seven-year gap following the retirement from the format of Mashrafe Mortaza.

He takes over a squad that has already suffered humiliating defeats in two Test matches and three one-day internationals.

So poorly have Bangladesh performed that Test captain Mushfiqur Rahim and one-day skipper Mortaza were unable to hide their frustration in comments to Bangladesh media.

“I am not able to motivate my players or guide my bowlers,” Rahim was quoted as saying after the Tests.

Mortaza said after the one-day games that “neither the batsmen nor the bowlers took responsibilities”.

While Bangladesh’s batsmen were always expected to struggle in South African conditions, the bowlers have been the most conspicuous failures on the tour.

In two Tests and three one-day internationals, the bowlers have captured only 23 wickets at a combined average of 100.21.

With no new faces in the T20 squad and leading bowler Mustafizur Rahman having returned home because of injury, Shakib appears to have the odds stacked against him.

South Africa, though, will be without inspirational captain Faf du Plessis, who suffered a lower back disc injury in the final one-day international, which will keep him out of action for six weeks.

JP Duminy, who had a win and two losses against Australia in his only previous experience of captaincy three years ago, will take over.

The hosts have rested two of their leading bowlers, Kagiso Rabada and Imran Tahir.

The South Africans lost a T20 series against Sri Lanka last season despite outclassing them in the Tests and one-day games.

With South Africa fielding an unusually inexperienced bowling line-up, Bangladesh’s batsmen will hope to seize the opportunity to make a strong finish to the tour.

South Africa’s batting looks formidable, however, and the Bangladesh bowlers will need to perform far better than they have in previous matches if they are to contain them.
SQUADS

South Africa: JP Duminy (capt), Hashim Amla, Farhaan Behardien, Quinton de Kock (wkt), AB de Villiers, Robbie Frylinck, Beuran Hendricks, David Miller, Mangaliso Mosehle (wkt), Dane Paterson, Aaron Phangiso, Andile Phehlukwayo, Dwaine Pretorius, Tabraiz Shamsi

Bangladesh: Shakib Al Hasan (capt), Imrul Kayes, Liton Das (wkt), Mahmudullah, Mehidy Hasan, Mohammad Saifuddin, Mominul Haque, Mushfiqur Rahim (wkt), Nasir Hossain, Rubel Hossain, Sabbir Rahman, Shafiul Islam, Soumya Sarkar, Taskin Ahmed

Monday, 23 October 2017

আ খ ম হাসানের দম ফাটানো হাসির নাটক

বিশ্বসেরা ফুটবলারের নাম রোনালদো

এবারও রোনালদোই সেরার স্বীকৃতি পাচ্ছেন, এটা চমকে যাওয়ার মতো কোনো খবর নয়। অন্য কিছু হলে সেটাই বরং বিস্ময়কর হতো। সেটাই হয়েছে, টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ পুরস্কার বাগিয়ে নিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। গত এক বছরে ফুটবলীয় কীর্তিতে সবাইকে পেছনে ফেলে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডই হয়েছেন ফিফার বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়।

১৯৯১ সাল থেকেই নিয়মিতভাবে বর্ষসেরা ফুটবলার পুরস্কার দিয়ে আসছিল ফিফা। ২০১০ সাল থেকে ফ্রান্স ফুটবলের ব্যালন ডি’অরের সঙ্গে মিলে একীভূত হয়ে সেটির নাম হয়ে যায় ফিফা-ব্যালন ডি’অর। ছয় বছর একসঙ্গে পথচলার পর গত বছর আবার আলাদা হয়ে যায় ফিফা আর ফ্রান্স ফুটবল। কিছু পরিবর্তন এনে ব্যালন ডি’অর দেওয়া হচ্ছে আগের মতোই। আঙ্গিকে বেশ পরিবর্তন এনে ফিফার পুরস্কারটা গত বছর যাত্রা শুরু করেছে ‘দ্য বেস্ট’ নামে নতুনভাবে। প্রথমবারই সেরা হয়েছেন রোনালদো।
সেটাও ২০১৭ সালের শুরুতেই। বছর পেরোনোর আগেই অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে অক্টোবর আসতে আসতে রোনালদোর শোকেসে যোগ হয়েছে আরও একটা লা লিগার ট্রফি, আরও একটা ক্লাব বিশ্বকাপ এবং আরও একটা চ্যাম্পিয়নস লিগ। চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা পঞ্চমবারের মতো সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। গত বছর দেশের হয়ে ইউরো জেতানোর পর এ বছর পর্তুগালকে তুলেছেন কনফেডারেশনস কাপের সেমিফাইনালে। এসব কীর্তিতেই মেসি ও নেইমারকে টপকে সেরা হয়েছেন রোনালদো।

পুরুষ দলের সেরা কোচের পুরস্কারটা গেছে রিয়াল মাদ্রিদে। ইতিহাস গড়ে টানা দুই চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানোর পুরস্কার বুঝে নিয়েছেন জিনেদিন জিদান। ফিফার বর্ষসেরা দলেও রিয়ালের জয়জয়কার। পাঁচজন খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন একাদশে। বার্সেলোনা ও জুভেন্টাসের তিনজন করে জায়গা পেয়েছেন একাদশে।

ফিফার বর্ষসেরা একাদশ
বুফন (জুভেন্টাস), আলভেজ (জুভেন্টাস, এখন পিএসজিতে), বোনুচ্চি (জুভেন্টাস, এখন এসি মিলানে), রামোস (রিয়াল মাদ্রিদ), মার্সেলো (রিয়াল মাদ্রিদ), মডরিচ (রিয়াল মাদ্রিদ), ক্রুস (রিয়াল মাদ্রিদ), ইনিয়েস্তা (বার্সেলোনা), নেইমার (বার্সেলোনা, এখন পিএসজিতে), মেসি (বার্সেলোনা), রোনালদো (রিয়াল মাদ্রিদ)।

Wednesday, 18 October 2017

ঢাকেশ্বরীতে জ্বলবে হাজার প্রদীপ



আজ বৃহস্পতিবার শ্যামাপূজা দীপাবলি উৎসব। দুষ্টের দমন শিষ্টের পালনের মধ্য দিয়ে ভক্তের জীবনে কল্যাণের অঙ্গীকার নিয়ে পৃথিবীতে আগমন ঘটে দেবী শ্যামার। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের কাছে তাই শ্যামা দেবী শান্তি, সংহতি সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামের প্রতীক।
কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে শ্যামাপূজা হয়ে থাকে। পূজা রাতে হয়। শ্যামাপূজা কালীপূজা নামেও পরিচিত।
রাজধানী ঢাকার পাঁচ শতাধিক মন্দির মণ্ডপে শ্যামাপূজা হবে। রামকৃষ্ণ মঠ রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী গুরু সেবানন্দ প্রথম আলোকে বলেন, আজ রাত নয়টায় পূজা শুরু হবে। দিবাগত রাত তিনটায় পুষ্পাঞ্জলি হবে এবং পূজা শেষ হবে ভোর সাড়ে পাঁচটায়।
মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে কেন্দ্রীয়ভাবে শ্যামাপূজা উদ্যাপিত হবে। সন্ধ্যায় দেশ জাতির মঙ্গল কামনায় সহস্র প্রদীপ প্রজ্বালন করা হবে। রমনা কালীমন্দির মা আনন্দময়ী আশ্রমে দেশবাসী এবং বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনায় সন্ধ্যায় মন্দির প্রাঙ্গণে পাঁচ হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন করা হবে। ছাড়া অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

Saturday, 14 October 2017

যদি আপনার মন খারাপ থাকে তা হলে ভিডিওটি দেখুন মন ভাল হয়ে যাবে

ঐশ্বরিয়াকেও টার্গেট করেছিলেন হার্ভি!

হলিউডে এখন সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিনের যৌন কেলেঙ্কারি। ৫ অক্টোবর ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’ আর ১০ অক্টোবর ‘দ্য নিউ ইয়র্কার’ পত্রিকা হার্ভির যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে দুটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এরপর থেকে একের পর এক থলের বিড়াল বের হয়ে আসতে শুরু করে। প্রতিবেদন দুটি প্রকাশ পাওয়ার পর প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো অভিনেত্রী ও মডেল এই বিষয়ে মুখ খুলছেন। তাঁরা নানা মাধ্যমে হার্ভির সঙ্গে নিজেদের খারাপ অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। হার্ভির যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে যখন হলিউড উত্তপ্ত, তখনই এই ব্যক্তি সম্পর্কে আরেকটি বিস্ফোরক তথ্য জানা গেল। সিমন শেফিল্ড নামের এক ব্যক্তি বলেন, বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গেও একবার একা দেখা করতে চেয়েছিলেন হার্ভি। সিমন হলিউডে ঐশ্বরিয়ার ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে ছিলেন।

ঐশ্বরিয়া যখন হলিউডে কাজ করতে যান, তখন তাঁর সঙ্গে হার্ভির দেখা হয়। একবার এই প্রযোজকের সঙ্গে একটি মিটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন এই ভারতীয় সুন্দরী। সঙ্গে তাঁর ব্যবস্থাপক সিমন শেফিল্ডও ছিলেন। কিন্তু হার্ভি ঐশ্বরিয়াকে মিটিং রুমে একা পেতে চেয়েছিলেন। সিমনকে নাকি তিনি কয়েকবার রুমের বাইরে যাওয়ার ইঙ্গিতও দেন। কিন্তু প্রতিবারই সিমন তাঁর এই আদেশ বিনীতভাবে ফিরিয়ে দেন। এরপর তাঁকে আলাদা ডেকে নিয়ে হার্ভি বলেন, ‘রুম থেকে বের হওয়ার জন্য তুমি কী চাও?’ আসলে তখন যেকোনো কিছুর বিনিময়েই অ্যাশকে একা চাইছিলেন হার্ভি। কিন্তু তাঁর স্বভাব সম্পর্কে আগেই ধারণা ছিল সিমনের। ঐশ্বরিয়ার নিরাপত্তার কথা ভেবে তিনি সেদিন তাঁকে একা ছাড়েননি। এরপর অবশ্য হার্ভির চক্ষুশূলে পরিণত হন সিমন। এমনকি তাঁর চাকরি কেড়ে নেওয়ারও হুমকি দিয়েছিলেন।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, গিনেথ প্যাল্ট্রো, অ্যাশলে জুড, কারা ডালাভিনেন, কেট বেকিনসেল, লি সিডু, হিথার গ্রাহামসহ অনেক অভিনেত্রী ও মডেলকে বিভিন্ন সময় অনৈতিক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছেন হার্ভি। অভিনেত্রী রোজ ম্যাকগোয়ানও টুইটারে হার্ভির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন। এর মধ্যে ব্রিটিশ মডেল ও অভিনেত্রী কারা ডালাভিনেন হার্ভির যৌন নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন। সেটি নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করে ‘ভ্যারাইটি’ পত্রিকা। পত্রিকাটির ওয়েব পোর্টালের মন্তব্যের ঘরেই শিমন শেফিল্ড ঐশ্বরিয়ার ও হার্ভির সঙ্গে তাঁর সেই অভিজ্ঞতার কথা জানান। হলিউডে ঐশ্বরিয়া অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘দ্য পিংক প্যানথার টু’, ‘দ্য লাস্ট লিজান’, ‘দ্য মিসট্রেস অব স্পাইস’।
আর ‘পাল্প ফিকশন’, ‘মালেনা’, ‘দ্য কিংস স্পিচ’, ‘শেকসপিয়ার ইন লাভ’, ‘মাই উইক উইথ মেরিলিন’, ‘গ্যাংস অব নিউইয়র্ক’-এর মতো ছবির প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিন। তিনি প্রভাবশালী প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দ্য ওয়ানস্টিন কোম্পানির প্রধান ছিলেন। ছিলেন মিরাম্যাক্স ফিল্মসের প্রতিষ্ঠাতাও। কিন্তু যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়ায় তাঁকে তাঁরই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ইন ইয়ুথ।

অবশেষে রোনালদোর গোল, বার্সার রেকর্ড ভাঙল রিয়াল


চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলের পর গোল, জাতীয় দলের হয়েও গোলের কমতি নেই। কিন্তু লা লিগায় কোনোভাবেই গোল পাচ্ছিলেন না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আজ সে খরাও কাটল, গেটাফের মাঠে গোল পেলেন রোনালদো। সে গোলেই হাসিমুখে মাঠ ছাড়ল রিয়াল মাদ্রিদ, গড়ল ইতিহাসও। লা লিগার প্রথম দল হিসেবে প্রতিপক্ষের মাঠে টানা ১৩ ম্যাচে জিতল রিয়াল। গেটাফের মাঠে ২-১ ব্যবধানের জয়ে গার্দিওলার বার্সেলোনাকে পেছনে ফেলেছে জিদানের রিয়াল।

‘ফিফা ভাইরাসে’ আক্রান্ত না হলেও বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দুটো ম্যাচ ঠিকই তার প্রভাব ফেলেছে। চোটের কারণে কেইলর নাভাস নামতে পারেননি। চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচের আগে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে কাসেমিরোকে। বেঞ্চে জায়গা হয়েছে ইসকো ও মডরিচের। মাঠে তাঁদের অভাব ভালোভাবেই টের পেয়েছে রিয়াল। শুরু থেকেই অগোছালো ফুটবলের দেখা মিলছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে ১৬ মিনিটে, ম্যাচে প্রথম কোনো গোলের সুযোগ সৃষ্টি করে রিয়াল। তবে রামোসের হেড লক্ষ্য খুঁজে পায়নি। এর আগেই অবশ্য ম্যাচে প্রথম বদলি নামাতে হয়েছে স্বাগতিক দলকে।
পরের সুযোগ পেতে আরও ১২ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়েছে রিয়ালকে। এক মাস পর মাঠে ফেরা করিম বেনজেমাকে দারুণ এক বল বানিয়ে দিয়েছিলেন লুকাস ভাসকেজ। বেনজেমার ব্যাক হিলটাও ছিল দুর্দান্ত। কিন্তু গেটাফের গোলরক্ষকের দারুণ সেভে গোল পায়নি রিয়াল। ৩২ মিনিটেও রোনালদোর শট ঠেকিয়ে দিয়েছেন ভিসেন্তে গুইতা। পরের পাঁচ মিনিটে আরও দুবার গোলের সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। কিন্তু ভাগ্য ফেরেনি।
৩৯ মিনিটে প্রতিপক্ষের ভুলে ডান প্রান্তে বল পেয়ে যান বেনজেমা। দারুণ এক দৌড় ও ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে প্রত্যাবর্তনটা রাঙিয়ে নিয়েছেন ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার। এ গোলেই যে ক্লাব কিংবদন্তি পাকো গেন্তোকে গোল সংখ্যায় (১৮২) ছুঁয়েছেন বেনজেমা। এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় রিয়াল।
দ্বিতীয়ার্ধেও শুরুতে প্রাধান্য ছিল রিয়ালের। মার্সেলো লক্ষ্যে বল রাখতে পারলে ব্যবধান বাড়িয়েও নিতে পারত জিদানের দল। কিন্তু ৫৬ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে গোল খেয়ে বসে তারা। ডান প্রান্তে হোর্হে মলিনার শট সার্জিও রামোসের পা ছুঁয়ে জালে ঢুকে যায়। তবে রিপ্লেতে দেখা গেছে, ক্রস করার মুহূর্তে অফ সাইডে ছিলেন গেটাফের এক খেলোয়াড়।
৭২ মিনিটে উপায় না দেখে ইসকোকে মাঠে নামান জিদান। ৭৩ মিনিটেই সহজতম গোলের সুযোগ পেয়েছিল রিয়াল। কিন্তু ফাঁকায় দাঁড়ানো রোনালদো অবিশ্বাস্যভাবে বল বাইরে পাঠিয়েছেন। সে ভুল শুধরে নিয়েছেন ৮৫ মিনিটে। ইসকোর দারুণ এক থ্রু বল খুঁজে নিল রোনালদোকে। ডান প্রান্ত থেকে এবার আর কোনো ভুল করেননি। অফসাইড ট্র্যাপ ভেদ করা দৌড়ের শেষে দলকে এগিয়ে দিলেন আরেকবার। অবশেষে লা লিগায় গোলের দেখা পেলেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের বাকি সময়ে অনেক চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে পারেনি গেটাফে। রিয়ালও পারেনি ব্যবধান বাড়িয়ে নিতে।

মাশরাফির আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের ডাক

ওয়ানডেতে ‘নিজেদের দিন’ বলে একটা কথা আছে। ‘নিজেদের দিন’ মানে এমন একটা দিন, যেদিন সবকিছু নিজেদের পক্ষে যাবে। প্রতিপক্ষের পক্ষে কিছুই নয়। খেলার মাঠে নিজেদের সেই দিনটার দেখা পেলে যেকোনো দলই জেতে। সে দক্ষিণ আফ্রিকা হোক, বাংলাদেশ হোক, অথবা বুরুন্ডি।
নিজেদের দিনের দেখা পাওয়াটা আবার ভাগ্যের ওপরই বেশি নির্ভরশীল। ভাগ্য ভালো তো আপনার দিন, ভাগ্য খারাপ তো প্রতিপক্ষের। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় এসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজে ভাগ্যের আশীর্বাদ পাওয়ার আশায় বসে থাকলে শূন্য হাতে ফেরার সম্ভাবনাই বেশি। বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা তাই ‘নিজেদের দিনে’র অপেক্ষায় থাকতে রাজি নন। দিন প্রতিপক্ষের হলেও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে সেটাকে নিজেদের করে নিতে হবে, এই হলো তাঁর মন্ত্র। ডায়মন্ড ওভালে অনুশীলনে নামার আগে মাশরাফি দিলেন আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের ডাক, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেলার প্রশ্নই ওঠে না। যদি এমন ভাবনা থাকে, নিজেদের দিনে আমরা ওদের হারাতে পারব, তাহলে আমরা সুযোগই পাব না। ব্যাটিং-বোলিং যা-ই করি এখান থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলা।’
টেস্ট সিরিজে গো-হারা হারতে হয়েছে বলে ওয়ানডেতেও বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকবে, এমন ভাবার মতো ভিতু অধিনায়ক নন মাশরাফি। চিন্তাভাবনায় তিনি বরাবর এক পা এগিয়ে। কন্ডিশন, প্রতিপক্ষ সবই প্রতিকূলে থাকলেও তাই জয়ের মন্ত্র আওড়ান অধিনায়ক, ‘নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেললে অবশ্যই জেতা সম্ভব। আমাদের চেষ্টা করতে হবে সব নেতিবাচক ব্যাপারগুলো বাইরে রেখে, ইতিবাচক ব্যাপারগুলো নিয়ে চিন্তা করা এবং মাঠে তা বাস্তবায়ন করা।’
বছরের শেষ দিকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজ আছে। তবে দেশের বাইরে এ বছর এটাই শেষ সিরিজ এবং মাশরাফির দৃষ্টিতে সবচেয়ে কঠিনও। একে তো দক্ষিণ আফ্রিকায় এসে উপমহাদেশের কোনো দলেরই খুব ভালো কিছু নিয়ে ফিরে যাওয়ার স্মৃতি নেই, তারপর টেস্ট সিরিজের দুই ম্যাচেই বাংলাদেশ খেয়েছে প্রচণ্ড ধাক্কা। সব সামলে ওয়ানডেতে স্বরূপে ফিরতে প্রয়োজন আত্মবিশ্বাসের জোর। সতীর্থদের প্রতি তাই মাশরাফির পরামর্শ—টেস্টের হারের জ্বালা ভুলে ওয়ানডেতে যেন সবাই নতুন শুরু করে, ‘এ বছরের সবচেয়ে কঠিন সফর, যেটা আমরা এখন খেলছি। তবে এত কিছু চিন্তা করে খেলতে নামলে কাজটা কঠিন হয়ে যাবে। নতুন উদ্যমে, সতেজ মন নিয়ে খেলতে নেমে যদি শতভাগ লড়াই করা যায়, তাহলে যেকোনো কিছুই হতে পারে।’
টেস্টে মাশরাফি, সাকিব ছিলেন না। চোটের কারণে তামিম থেকেও ছিলেন অনুপস্থিত। ওয়ানডে সিরিজে এই তিন অভিজ্ঞের ফিরে আসাটা বড় সাহস জোগাবে বাংলাদেশ দলকে। তবে মাশরাফি চান শুধু সাকিব, তামিম বা অন্য সিনিয়রদের দিকে তাকিয়ে না থেকে দল হিসেবে ভালো খেলুক বাংলাদেশ, ‘আমাদের যতগুলো জয় আছে, সেগুলো দল হিসেবে ভালো খেলেই। সিনিয়রদের দায়িত্ব অবশ্যই বেশি। কিন্তু আমাদের যতগুলো জয় আছে, সেসবে জুনিয়রদের অবদানও কম নয়।’
দেশের মাটিতে যেকোনো সিরিজের আগেই এখন বাংলাদেশ অধিনায়কের কাছে অবধারিত প্রশ্ন, ‘সিরিজ জয় সম্ভব কি না’ বা ‘সিরিজ জয়ের কথা ভাবছেন কি না’। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের আগের এ রকম প্রশ্ন করাটা বাড়াবাড়িই হতো। মাশরাফিও সিরিজ শুরুর আগেই অত দূর চিন্তা করছেন না। আপাতত আজকের প্রথম ওয়ানডেতেই তাঁর দৃষ্টি, ‘এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। যখন আপনি তিন ম্যাচের সিরিজ খেলবেন তখন প্রথম ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ থাকে। প্রথম ম্যাচ জিতলে শেষ ম্যাচ পর্যন্ত সিরিজ জেতার সুযোগ থাকে।’
তাই বলে প্রথম ম্যাচটা জিততেই হবে, দলের ওপর এমন চাপ চাপিয়ে দিতে রাজি নন অধিনায়ক। তিনি বরং প্রক্রিয়াটা ঠিক রাখার পক্ষে। ব্যাটিংয়ে একটা ভালো শুরু, থিতু হওয়া ব্যাটসম্যানদের বড় ইনিংস খেলে আসা, বোলারদের মৌলিক কাজগুলো ঠিকভাবে করা, ফিল্ডিংয়ে ক্যাচ না ফসকানো—খেলোয়াড়দের কাছে অধিনায়কের চাওয়া বলতে এটুকুই। পুরো বিষয়টি মাশরাফি এককথায় বলে দিলেন, ‘আমরা যদি প্রক্রিয়া ঠিক রাখতে পারি তাহলে বাকি সবও ঠিক থাকবে।’
মাশরাফি আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের ডাক দিয়েছেন। কিন্তু আক্রমণাত্মক ক্রিকেট মানেই যে প্রতি বলে চার-ছক্কা মারতে যাওয়া নয়, সেটা নিশ্চয়ই বুঝবেন তাঁর ব্যাটসম্যানরা।

বিশ্ব ডিম দিবস ও তিন টাকায় ডিম

এবারের বিশ্ব ডিম দিবস, সেই দিন উদ্‌যাপনে তিন টাকায় ডিম বিক্রির ঘোষণা এবং ফলাফলে যা ঘটল, তার ‘প্রাপ্তি’ কিন্তু কম নয়। তিন টাকায় ডিম কিনতে না পারা এবং এ নিয়ে হুড়োহুড়ি ও পুলিশের লাঠির বাড়ি ভোক্তাদের ক্ষুব্ধ করেছে। আয়োজকদের পরিকল্পনাহীনতা ও বাস্তব বুদ্ধির সমালোচনা হয়েছে। যাঁরা তিন টাকায় ডিম কেনার ভাবনা মাথায় আনেননি, তাঁরা অনেকেই এই ডিমকাণ্ড থেকে বিনোদনের খোরাক পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে হাসিঠাট্টা করেছেন। আবার ‘চিন্তাশীল’ মানুষের জন্য ঘটনাটি ভাবনার খোরাক হিসেবেও কিন্তু মন্দ নয়।

ডিম দিবস উদ্‌যাপনের উদ্দেশ্য পরিষ্কার। ডিমের ব্যাপারে মানুষকে উৎসাহিত করা। মানুষ যত ডিম খাবে বা ডিম খাওয়ায় অভ্যস্ত হবে, তাতে ব্যবসা ভালো হবে। এই উদ্যোগে কোনো সমস্যা নেই। যেকোনো আয়োজনে অভিনবত্ব লাগে। সম্ভবত সে কারণেই চমক হিসেবে আয়োজক সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল ডিম দিবসে তিন টাকা দামে ডিম বিক্রির ঘোষণা দেয়। তবে প্রতিটি ডিমে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ টাকা বাঁচাতে যে এমন পরিস্থিতি হতে পারে, তা সম্ভবত আয়োজকদের কল্পনারও বাইরে ছিল। ভোর ছয়টায় লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক ক্রেতা ডিম পাননি। এ নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে, পুলিশের লাঠিপেটা হয়েছে, ডিম ভেঙেছে, লুট হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত এই উদ্যোগ পণ্ড হয়েছে।

এমন পরিস্থিতির দায় আয়োজকদের। কারণ, দেড় কোটির বেশি জনগোষ্ঠীর ঢাকা শহরে এ ধরনের একটি ঘোষণার ফল কী হতে পারে, তা তাঁদের আন্দাজ করা উচিত ছিল। তবে উদ্দেশ্য যেহেতু ‘ডিম’, সেখানে আয়োজকদের সফলই বলতে হবে। যেভাবেই হোক, দিনটিকে তাঁরা ডিমময় করতে পেরেছেন।

আয়োজকেরা একজনের কাছে সর্বোচ্চ ৯০টি ডিম বিক্রির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। সেই হিসাবে এই পরিমাণ ডিমের ক্রেতা সর্বোচ্চ ৪৫০ টাকা সাশ্রয় করতে পারেন। এই অর্থ বাঁচাতে লোকজন এত মরিয়া হয়ে উঠলেন কেন, তা গবেষণার একটি বিষয় বটে। ‘মূল্যহ্রাস’-এর প্রতি ভোক্তাদের আকর্ষণ যে লাভ-ক্ষতির হিসাবের সঙ্গে খুব যুক্ত নয়, তা আবার টের পাওয়া গেল। ভোক্তার মানসিক গড়ন বা চাহিদা—এসব নিয়ে নতুন করে চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে। ডিম আমাদের প্রতিদিনের পুষ্টি জোগায়, কিন্তু বিশ্ব ডিম দিবস এবার আমাদের কিছু ভাবনার খোরাক জুগিয়ে গেল।

Friday, 13 October 2017

midia: পরিসংখ্যান ব্যুরোতে ৫৯৩ নিয়োগ

midia: পরিসংখ্যান ব্যুরোতে ৫৯৩ নিয়োগ: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে ১১টি পদে মোট ৫৯৩ জন লোক নিয়োগ হবে। বিভিন্ন পত্রিকায় এ নিয়োগ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছ...

৬০০ জন ঋণ কর্মকর্তা নিয়োগ করবে ব্র্যাক

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক ১৯৭২ সাল থেকে আর্থসামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি ঋণ কর্মকর্তা (প্রগতি) পদে ৬০০ লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিটি ৬ অক্টোবর প্রথম আলোর ক্রোড়পত্র চাকরিবাকরির চতুর্থ পৃষ্ঠায় পাওয়া যাবে। পদটিতে আবেদন করা যাবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পদটিতে আবেদনের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে যেকোনো স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে স্নাতকোত্তর পাস। শিক্ষাজীবনের যেকোনো একটি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি অথবা সমমানের জিপিএ গ্রহণযোগ্য, তবে অন্যান্য পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ বা শ্রেণি অথবা সমমানের জিপিএ বা সিজিপিএ ২ থাকতে হবে। প্রার্থীদের বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।

পদটিতে আবেদন করতে হলে আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত তারিখের মধ্যে মোবাইল নম্বর উল্লেখপূর্বক জীবনবৃত্তান্ত, সব প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং সম্প্রতি তোলা দুই কপি পাসপোর্ট আকারের রঙিন ছবিসহ ব্র্যাক হিউম্যান রিসোর্স অ্যান্ড লার্নিং ডিভিশন, আরডিএ সেকশন, ব্র্যাক সেন্টার (পঞ্চম তলা), ৭৫ মহাখালী, ঢাকা ১২১২ এই ঠিকানায় আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র ও খামের ওপর আবেদনকৃত পদের নাম এবং AD # ১৭/১৭ উল্লেখ করতে হবে।

চূড়ান্তভাবে মনোনীত এ পদের প্রার্থীদের মাসিক ২০ হাজার ৮৭২ টাকা বেতন দেওয়া হবে। এ ছাড়া উৎসব ভাতা, আনুতোষিক, প্রদায়ক ভবিষ্যনিধি, স্বাস্থ্য এবং জীবন বিমা ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়া যাবে। মনোনীত প্রার্থীকে জামানত হিসেবে ৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে (যোগদানের ৬ মাস পর ফেরতযোগ্য) বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা আছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোতে ৫৯৩ নিয়োগ

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে ১১টি পদে মোট ৫৯৩ জন লোক নিয়োগ হবে। বিভিন্ন পত্রিকায় এ নিয়োগ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এসব পদে ইতিমধ্যে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আবেদন করা যাবে আগামী ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত।
কোন পদে কতজন নিয়োগ: প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, থানা পরিসংখ্যানবিদ পদে ২১ জন, পরিসংখ্যান তদন্তকারী পদে ৬৯ জন, পরিসংখ্যান সহকারী পদে ১৩৮ জন, জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী পদে ২৭১ জন, ইনুমারেটর পদে ৯ জন, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ৮ জন, টেকনিক্যাল অপারেটর পদে ২ জন, জুনিয়র অপারেটর পদে ৩ জন, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ১৩ জন, ডেটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর পদে ৫৮ জন, বুকবাইন্ডার পদে ১ জনকে নিয়োগ করা হবে।
যেসব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন: রাজবাড়ী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, দিনাজপুর, মাগুরা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর জেলা ব্যতিরেকে অন্য সব জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের যোগ্যতা: থানা পরিসংখ্যানবিদ, পরিসংখ্যান তদন্তকারী এবং পরিসংখ্যান সহকারী পদের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিত বা ভূগোল বা সমাজবিজ্ঞানে পাঁচটি বিষয়ের যেকোনো একটি বিষয়সহ বিএ বা বিএসসি অথবা বিকম পাস হতে হবে। জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী ও ইনুমারেটর পদের প্রার্থীদের পরিসংখ্যান বা অর্থনীতি বা গণিতে তিনটি বিষয়ের যেকোনো একটি বিষয়সহ বিজ্ঞান বা মানবিক অথবা বাণিজ্য বা কৃষি বিভাগে এইচএসসি পাস হতে হবে। সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদের প্রার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই থাকতে হবে। কম্পিউটার ব্যবহার-সংক্রান্ত ওয়ার্ড প্রসেসিং, ডেটা এন্ট্রি ও টাইপিংয়ে সর্বনিম্ন গতি—বাংলায় প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন ২৫ শব্দ এবং ইংরেজিতে প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন ৩০ শব্দ। টেকনিক্যাল অপারেটর পদের প্রার্থীদের স্নাতক ডিগ্রি অথবা গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা পাস হতে হবে। তবে এ পদে বিজ্ঞান বিভাগের প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জুনিয়র অপারেটর, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ডেটা এন্ট্রি/কন্ট্রোল অপারেটর এবং বুকবাইন্ডার পদের প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। পদভেদে প্রার্থীদের কাজের কিছু অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে। সব পদের প্রার্থীদের বয়স ১৯-১০-২০১৭ তারিখে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে পদভেদে বিভাগীয় প্রার্থীদের বয়সসীমা শিথিলযোগ্য হবে।
যেভাবে আবেদন করবেন: আগ্রহী প্রার্থীদের http://bbs.teleltalk.com .bd এই ওয়েবসাইটে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত ছকে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। অনলাইনে আবেদনপত্র যথাযথভাবে পূরণ করে নির্দেশনামতে ছবি এবং স্বাক্ষর আপলোড করে আবেদনপত্র সাবমিট সম্পন্ন হলে কম্পিউটারে ছবিসহ অ্যাপ্লিকেশন প্রিভিউ দেখা যাবে। নির্ভুলভাবে আবেদনপত্র সাবমিট করা সম্পন্ন প্রার্থী একটি ইউজার আইডি, ছবি এবং স্বাক্ষরযুক্ত একটি অ্যাপ্লিকেন্টস কপি পাবেন। ওই অ্যাপ্লিকেন্টস কপি প্রার্থী প্রিন্ট অথবা ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করবেন। অ্যাপ্লিকেন্টস কপিতে একটি ইউজার আইডি নম্বর দেওয়া থাকবে এবং ইউজার আইডি নম্বর ব্যবহার করে প্রার্থী বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নিয়মানুসারে যেকোনো টেলিটক প্রি-প্রেইড মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে দুটি এসএমএস করে পরীক্ষার ফি বাবদ প্রত্যেক পদের জন্য জনপ্রতি ১১২ টাকা অনধিক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জমা করতে হবে। প্রবেশপত্র প্রাপ্তির বিষয়টি http://bbs.teleltalk.com .bd ওয়েবসাইটে এবং প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে যথাসময়ে জানানো হবে। অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণের নিয়মাবলি, এসএমএসের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি প্রদানের বিস্তারিত নিয়মাবলি ও অন্যান্য তথ্যাদি ওয়েবসাইট http://bbs.teleltalk.com.bd এ পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সূত্রে জানা গেছে, আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার তারিখ, সময় ও কেন্দ্র পরবর্তী সময়ে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।
বেতন-ভাতা: লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ একজন থানা পরিসংখ্যানবিদ এবং পরিসংখ্যান তদন্তকারী ১১ হাজার ৩০০ টাকা, পরিসংখ্যান সহকারী, জুনিয়র পরিসংখ্যান সহকারী এবং ইনুমারেটর ১১ হাজার টাকা, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং টেকনিক্যাল অপারেটর ১০ হাজার ২০০ টাকা, জুনিয়র অপারেটর, কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ডেটা এন্টি/কন্ট্রোল অপারেটর এবং বুকবাইন্ডার জাতীয় বেতন ২০১৫ অনুযায়ী ৯ হাজার ৩০০ টাকা স্কেলে বেতন পাবেন।

মেসিকে নিয়ে মাতামাতিতে খেপেছেন রোনালদো!

ইকুয়েডরের বিপক্ষে বাঁচা-মরার ম্যাচে দারুণ এক হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনাকে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে পৌঁছে দিয়েছেন লিওনেল মেসি। আবারও মেসি-বন্দনায় মুখর সবাই। রাশিয়ার টিকিট কেটেছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালও। অথচ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ গোল করেও রোনালদো যেন আড়ালে! এটা নাকি পছন্দ হচ্ছে না রোনালদোর। তাঁর ধারণা, সবাই যেন যেচে পড়ে মেসির হাতে বিশ্বকাপটাই তুলে দিতে চাইছে। এমনটাই দাবি করেছে স্পেনের সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও গোল।

রোনালদোর কোনো বক্তব্য দিতে না পারলেও মাধ্যমটি দাবি করছে, রোনালদো কাছের মানুষদের বলেছেন, তাঁর পারফরম্যান্স যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। ইউরোপের বাছাইপর্বের কঠিন যাত্রাপথে বলতে গেলে তিনিও তো প্রায় একাই টেনেছেন দলকে! অথচ এ নিয়ে কোনো কাব্যগাথা নেই! মেসি এক ম্যাচে ঝলসে উঠেই সব আলো টেনে নিলেন!

শুধু কি তা-ই, ইকুয়েডর ম্যাচের পর আর্জেন্টিনা কোচ হোর্হে সাম্পাওলি তো এমনও মন্তব্য করেছেন, ‌ফুটবলের কাছেই একটি বিশ্বকাপ পাওনা আছে মেসির। এ কথা হয়তো আরও বেশি খেপিয়ে দিয়েছে রোনালদোকে!
শুধু সাম্পাওলি নয়, মেসিকে বিশ্বকাপ জিততে দেখতে চেয়েছিলেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বলেছিলেন, ‘মেসি এখনো বিশ্বকাপ জেতেনি। এ যুগের ফুটবলের অন্যতম প্রধান ও পরিপূর্ণ খেলোয়াড়। বিশ্বকাপ না জিতে তার অবসর নেওয়াটা ন্যায্য হবে না।’

সরাসরি মেসির নাম না বললেও রোনালদো এর আগে অনেকবারই বুঝিয়ে দিয়েছেন, একটি খেলোয়াড়কে বেশি ভালোবাসা বরাদ্দ করে কেউ কেউ তাঁর প্রতি অন্যায় করে। কারণ, তিনি মুখের ওপর কথা বলেন। অনেকে তাঁকে মনে করে উদ্ধত। রোনালদো এমনও মনে করেন, অনেকে ঈর্ষা করে তাঁর সাফল্য ও গ্ল্যামারকে।

বাছাইপর্বে মেসির একটি গোলের রেকর্ড নিয়েও বেশ কথা হয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে অনেক কিংবদন্তি ফুটবলারের জন্ম হলেও মেসিই প্রথম, যিনি বাছাইপর্বে ২০ গোল করলেন। অথচ ইউরোপের বাছাইপর্বে ১৫ গোল করার পথে মহাদেশটির সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক গোলদাতার তালিকায় রোনালদোও উঠে এসেছেন দুইয়ে। তাঁর গোল ৭৯টি। আর ৮৯ ম্যাচে ৮৪ গোল নিয়ে শীর্ষে ফেরেঙ্ক পুসকাস। সূত্র: স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড।

ফেসবুকে ব্লু হোয়েল নিয়ে ভুয়া বার্তা

ব্লু হোয়েল গেম নিয়ে নানা গুজব ছড়াচ্ছে ফেসবুকে। এসব গুজবে কান দেওয়া ঠিক হবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভুয়া বার্তা ছড়াতে দেখা গেছে। 
ওই বার্তায় বলা হচ্ছে—১৩ অক্টোবর শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা বাংলাদেশের সব অ‍্যান্ড্রয়েড ফোনে ব্লু হোয়েল গেম ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। যা প্রবেশের ফলে আপনার ফোনের সব ব‍্যক্তিগত তথ‍্য, ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ‍্যাপ, আইএমওসহ সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। তাই শুক্রবার রাত ৯ থেকে ১০টা পর্যন্ত ফোন বন্ধ রাখুন। দেশের সেবায় এটি বেশি বেশি ফরোয়ার্ড করুন। জনসচেতনতায় বিটিআরসি।
বিটিআরসির নামে ফেসবুকে ছড়ানো ওই বার্তাটি দেখে অনেকের মধ্যেই উৎকণ্ঠা দেখা যায়। তবে অনেকেই বিষয়টি ভুয়া বলে ধরতে পেরেছেন। বিটিআরসি সূত্র জানিয়েছে, পুরোপুরি ভুয়া বার্তা এটি। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
বিটিআরসির সচিব ও মুখপাত্র সরওয়ার আলম প্রথম আলোকে বলেন, বিটিআরসির নাম দিয়ে যে বার্তাটি ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া ও মিথ্যা। জণমনে বিভ্রান্তি তৈরির জন্য কোনো অসাধু মহল বিটিআরসির নাম এটি ছড়াচ্ছে।
গত সপ্তাহ থেকে ব্লু হোয়েল গেমটি নিয়ে বাংলাদেশে আলোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ গেম নিয়ে নানা মন্তব্য প্রকাশিত হয়। অনেকেই গেমটির নিয়ে কৌতূহলী হয়ে ওঠেন। কৌতূহলী মানুষকে আকৃষ্ট করতে অনলাইনে নানা ভুয়া অ্যাপ ও কনটেন্ট ছড়াচ্ছে।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্লু হোয়েল গেমের নামে ভুয়া অ্যাপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার ডাউনলোড করলে ডিভাইসের সমস্যা হতে পারে। ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে। ব্লু হোয়েল গেমসহ ক্ষতিকর অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Wednesday, 11 October 2017

যেই গেম খেললেই মৃত্যু অনিবার্য

BLUE WHALE............
‘Blue Whale’ যেই গেম
খেললেই মৃত্যু অনিবার্য
.
অ্যাপ স্টোর, প্লে স্টোর, ইন্টারনেট বা গুগল কোথাও খুঁজে পাবেন না এই গেম, খুঁজে পেতে পারেন কারো পাঠানো কোনো
গোপন লিংকের মাধ্যমে । এটি একটি সুইসাইড গেইম অর্থাৎ গেম খেললে মৃত্যু অনিবার্য। আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন – একটি গেম খেললে কিভাবে মৃত্যু হবে? কি বলেন !
.
ওয়েট, আমি ব্যাখ্যা দিচ্ছি।
‘ব্লু হোয়েল’ বা Blue whale এর অর্থ নীল
তিমি। নীল তিমিরা মৃত্যুর আগে সাগরের তীরে উঠে আসে – তারা আত্মহত্যা করে বলে অনেকের ধারণা! একারণেই গেমের নাম রাখা হয়েছে ‘Blue whale’ বা নীল তিমি । মনে রাখবেন – গেমটি বাধ্য করে তার ইনস্টলকারীকে সবগুলো স্তর খেলার জন্য।
.
‘ব্লু হোয়েল’ গেমটি ৫০ টি লেভেলে বিভক্ত।
F57 নামক রাশিয়ান হ্যাকার টিম গেমটি তৈরি করে। ২০১৩ সালে তৈরি হয়েছিলো গেমটি, কিন্তু ২০১৫ সালে VK. com নামক সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয়তা পায়
এবং প্রচুর ডাউনলোড হয় গেমটি। ফিলিপ বুদেকিন নামক রুশ হ্যাকার যে কিনা সাইকোলজির ছাত্র ছিলো এবং ভার্সিটি থেকে বহিষ্কার হয়েছিলো – তার মাথার
বুদ্ধি থেকেই জন্ম নেয় এই গেমটি। রাশিয়ান আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের পর সে জানায় হতাশাগ্রস্হদের পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবার জন্যই সে গেমটি বানিয়েছে। হতাশা
গ্রস্হদের পৃথিবীত বেঁচে থাকার কোনো
অধিকার নেই।
.
রাশিয়ায় এ গেম খেলে মৃতের সংখ্যা ১৫১ জন এবং রাশিয়ার বাইরে মারা গেছে ৫০ জন। জুলিয়া ওভা ও ভের্নিকা ওভা নামক দুই বোন প্রথম এই গেইমের শিকার। গেমটির ৫০ তম লেভেলে গিয়ে ছাদ থেকে লাফিয়ে ওরা সুইসাইড করেছিলো। জুলিয়া ওভা মৃত্যুর ঠিক আগে সোশাল নেটওয়ার্কে নীল তিমির ছবি আপলোড দিয়ে লিখেছিলো – ‘The end!’
.গেমটি মূলত একটি ডার্ক ওয়েভের (dark wave) গেম। ডার্ক ওয়েভ হলো ইন্টারনেটের অন্ধকার জগৎ। মনে রাখবে- গেমটি আপনি একবার
ডাউনলোড করলে আর কখনোই আনইনস্টল করতে পারবেন না। গেমটি আপনার ফোনের সিস্টেমে ঢুকে আপনার আপনার আই পি এড্রেস, মেইলের পাসওয়ার্ড, ফেসবুক পাসওয়ার্ড কনট্যাক্ট
লিস্ট, গ্যালারী ফটো এমনকি আপনার ব্যাংক ইনফর্মেশান! আপনার লোকেশান ও তারা জেনে নিচ্ছে!
.
‘ব্লু হোয়েল’ গেম ওপেন করা মাত্র আপনাকে একজন এডমিন পরিচালনা শুরু করবে। আপনাকে জিজ্ঞেস করবে – ‘গেমটি খেলা শুরু করলে আপনি কোনোভাবেই এর থেকে বেরিয়ে
আসতে পারবেন না, আপনি সর্বশেষে মৃত্যু
বরণও করতে পারেন, আপনি কি চ্যালেন্জ গ্রহন করতে আগ্রহী?’
.
আপনি ইয়েস বা নো অপশনের মধ্যে ‘ইয়েস’ অপশন ক্লিক করা মাত্রই পা দিয়ে দেবেন মৃত্যু ফাঁদে।
.
গেমটির প্রথম দশটা লেভেল খুবই আকর্ষনীয়। ইউজার এডমিন কিছু মজার মজার নির্দেশনা দেন – যেমন রাত তিনটায় ঘুম থেকে উঠে হরর ছবি
দেখা, চিল্লাচিল্লি করা, উঁচু ছাদের কিনারায় হাঁটাহাঁটি করা, পছন্দের খাবার খাওয়া ইত্যাদি নির্দেশনা দিতে দিতে
এডমিন হাতিয়ে নেবেন আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন। প্রথম দশ টা লেভেল পার করার পর আপনাকে তৈরি করা হবে পরবর্তী দশটি লেভেলের জন্য। পনেরো লেভেল পর্যন্ত চলবে আপনার ইনফরমেশান হাতানোর কাজ!
পনেরো লেভেলের পর আপনাকে কঠিন মিশন দেয়া শুরু হবে! যেমন অ্যাডমিন আপনাকে বলতে পারে আপনার হাতে ব্লেড দিয়ে নীল তিমির ছবি আঁকুন.
.
প্রথম বিশটা চ্যালেন্জ অতিক্রম করার পর অ্যাডমিন তার কৌশল পরিবর্তন করতে শুরু করে। আপনি টেরই পাবেন না প্রথম বিশ ধাপে সংগ্রহ করে ফেলা আপনার তথ্যের উপর ভিত্তি করে আপনাকে মোহাক্রান্ত বা হিপনোসিস পদ্ধতি প্রয়োগ শুরু করা হবে। আপনি তখন ভাববেন এই গেম ছাড়া আপনার বেঁচে থাকা অসম্ভব। আপনাকে শীতের দিনে খালি গায়ে
ঘুরতে বলা হবে, বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করা, বন্ধুর মোবাইল চুরি করা, আপনার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুটার সাথে দুর্ব্যবহারের মিশন দেয়া হবে আপনাকে! আবার এসবের প্রমাণের ছবি বা ফটো
এডমিনকে পাঠাতে হবে আপনার! এভাবেই কৌশলে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের থেকে কৌশলে আলাদা করে ফেলা হবে আপনাকে এবং আপনি পৌঁছে যাবেন পঁচিশ লেভেলে!
.
পঁচিশ লেভেলের পর নির্দেশনা আসবে মাদক বা ড্রাগ নেবার! এভাবেই সম্মোহিত করে করে আপনাকে তিরিশ লেভেল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। তিরিশ তম লেভেল আপনি অতিক্রম করার পর গেম
এডমিন হঠাৎ আপনার সাথে একটু চিট শুরু করবে! ৩১তম লেভেল আনলক করবে না, এদিকে আপনি হয়ে উঠবেন ক্রেজী!
.
তারপর কিছুদিন আপনাকে সারপ্রাইজ দিয়ে হঠাৎ এডমিন – বলবে একত্রিশ তম লেভেল আনলকড! আপনার নগ্ন ছবি চাওয়া হবে এই স্তরে! আপনি হিপনোসিস ও মাদকের কারণে নিজের নগ্ন ছবি
পাঠাতেও চিন্তা করবেন না, ড্রাগ নেবার র মাত্রা বাড়াতে থাকবেন আপনি! এরপর নির্দেশনা আসবে আপনার ভালোবাসার মানুষের সাথে সেক্স করে গোপনে ছবি তুলে আপলোড করতে বা নিজের শরীরে একাধারে শ খানেক সুঁই ফোটাতে এবং ফটো আপলোড করে পাঠাতে। এভাবেই চলে যাবেন আপনি চল্লিশ তম
লেভেলে!
এবার আপনি ভীত হয়ে গেমার টিমকে অনুরোধ করবেন আপনাকে মুক্তি দেবার জন্য! আপনি কাঁদবেন , হাতজোর করবেন, চাইবেন গেমটি আনইনস্টল করার জন্য! তখন শুরু হবে ব্ল্যাকমেইলিং! গেমার টিম বা এডমিন তখন আপনারই পাঠানো সকল তথ্য ফাঁস করে দেবার হুমকি দেবে, আপনি বাধ্য হয়ে প্রবেশ
করবেন একচল্লিশ তম স্তরে!
.
একচল্লিশ থেকে ঊনপঞ্চাশ তম লেভেলে
আপনি প্রচন্ড হতাশ আর মাদকাসক্ত হবেন। পঞাশ তম স্তরে আপনাকে মুক্তির শর্ত দেয়া হবে!
বলা হবে আপনাকে নিজের শরীরে
অ্যানাসথেসিয়ার ড্রাগ ক্যাটামিন পুশ করে তাদের কে ছবি পাঠাতে এবং নিশ্চিত দশ তলার চেয়েও উঁচু কোনো ছাদের একেবারে কিনারায় দাঁড়িয়ে যদি
সেলফি আপলোড দিতে পারেন তবে আপনি মুক্ত!
আপনি সেটা পারবেন না আর, কারণ শরীরে পুশ করা ক্যাটামিন আপনার মস্তিষ্কে চলে যাবে ততোক্ষণে! আপনি মোবাইলের স্ক্রীণে তখন নির্দেশ আসবে – ‘ নিচের দিকে তাকাও! লাফ দাও, মুক্তি পাও!’
.
আপনি মুক্তি পেতে গিয়ে আত্মহত্যা করবেন! এই ব্লু হোয়েল গেমটিতে ব্যবহার করা হয়েছে চমৎকার গ্রাফিক্স, ব্যাক গ্রাউন্ড মিউজিক ভীষণ করুন! All i want ও Ranway গানের মিউজিক ব্যবহার করা হয়েছে। দুটো মিউজিক শুনলেই শরীরের রক্ত হীম হয়ে যাবে!
.
সবশেষে বলবো –
নিজেকে ভালোবাসুন, পরিবারকে সময় দিন, জীবনকে ভালোবাসুন।
.
বিশেষ অনুরোধঃ
জীবন কোনো ছেলেখেলা নয়, তাই লেখাটি পড়ে কিউরোসিটি থেকে কেউ গেমটি খুঁজবেন না। পৃথিবীতে কত ধরনের ট্র্যাপ আছে তা বলে শেষ করা যাবে না। তাই শুধুমাত্র মজার ছলে গেমটি খেলতে যাবেন না।
.
আরেকটি অনুরোধঃ
আমার আপনার চারপাশে আর কেউ এই মৃত্যুফাঁদে পা দেয়ার পূর্বেই গণসচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে লেখাটি শেয়ার করুন।

ঢাকায় তিন ঘণ্টার জন্য ডিমের হালি ১২ টাকা!

এই দুর্মূল্যের বাজারে ডিমের হালি ১২ টাকা শুনে চমকে যাওয়াই স্বাভাবিক। তবে ঘটনা সত্য। আগামী শুক্রবার ঢাকায় তিন ঘণ্টার জন্য ১২ টাকা হালিতে ডিম বিক্রি করার ঘোষণা দিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)।
১৩ অক্টোবর বিশ্ব ডিম দিবস। সে জন্যই বিশেষ মূল্যছাড়ে ডিম বিক্রির এই উদ্যোগ নিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিপিআইসিসি। তারা গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য প্রতিটি ডিম ৩ টাকা বা প্রতি হালি ১২ টাকায় বিক্রি করা হবে।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যানুযায়ী, গতকাল রাজধানীতে বাজারভেদে ফার্মের মুরগির প্রতি হালি ডিম ২৭-৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৬-২৮ টাকা।
জানতে চাইলে বিপিআইসিসির গণমাধ্যম উপদেষ্টা সাজ্জাদ হোসেন গত রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ওই দিন আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে ডিম কিনতে পারবেন ভোক্তারা। তবে প্রত্যেক ক্রেতা সর্বোচ্চ ৯০টি পর্যন্ত ডিম কিনতে পারবেন। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশেষ ছাড়ে কমপক্ষে ৫০ হাজার ডিম বিক্রি করা হবে। ডিমের পরিমাণ বাড়তেও পারে।
বিশ্বের ৪০টির বেশি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হবে। এ উপলক্ষে শুক্রবার সকালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন থেকে শোভাযাত্রা বের করা হবে। পরে থ্রি-ডি হলে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।
বিপিআইসিসি হচ্ছে মূলত ওয়ার্ল্ডস পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ শাখা, ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন, অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রেডিয়েন্টস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং এগ প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশনের একটি জোট।

পর্নোগ্রাফির শিকার শিশুরা, মামলা হচ্ছে অন্য আইনে

পর্নোগ্রাফির শিকার হচ্ছে শিশুরা। ধর্ষণের সময় ধারণ করা ভিডিও বা বিভিন্ন অশ্লীল স্থিরচিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া-সংক্রান্ত ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন থাকলেও এর ব্যবহার তেমন একটা হচ্ছে না।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, সুনির্দিষ্ট আইনের আওতায় মামলা হলে মামলা পরিচালনা সহজ হয়। ভুক্তভোগীর সুবিচার পাওয়া নিশ্চিত করা যায়।
গত মে মাসে ময়মনসিংহের নান্দাইল মডেল থানায় মেয়ের নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে প্রকাশের অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় একটি মামলা করেন এক স্কুলছাত্রীর বাবা। গোয়েন্দা বিভাগে স্থানান্তর হওয়া এ মামলা প্রসঙ্গে ময়মনসিংহের গোয়েন্দা বিভাগের ওসি আশিকুর রহমান বলেন, মাঠপর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের (২০১৩ সালে সংশোধিত) ৫৭ ধারাটি সম্পর্কে আইনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ওয়াকিবহাল হলেও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনটি নিয়ে ততটা ওয়াকিবহাল নন। পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলা ৫৭ ধারায় করা হচ্ছে।
পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, কোনো শিশুকে ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, বিতরণ, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অথবা শিশু পর্নোগ্রাফি বিক্রয়, সরবরাহ বা প্রদর্শন অথবা কোনো শিশু পর্নোগ্রাফি বিজ্ঞাপন প্রচার করলে তার সর্বোচ্চ ১০ (দশ) বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হবে।
অন্যদিকে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, যা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারে অথবা এর মাধ্যমে মানহানি ঘটে...। এ অপরাধের জন্য অনধিক ১৪ বছর এবং অন্যূন ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ডের বিধান আছে।
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের কর্মসূচি সমন্বয়কারী আবদুল্লা আল মামুন বলেন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনটি সুনির্দিষ্ট একটি আইন। এ আইনের অধীনে একটি-দুটি মামলায় দৃষ্টান্তমূলক সাজা দেওয়ার নজির থাকলে অপরাধীরা ভয় পেত।
বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পর্নোগ্রাফির শিকার শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, (১০টি পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য), গত বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ১২ জন শিশু পর্নোগ্রাফির শিকার হয়। আর চলতি বছরের এই একই সময়ে সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। অর্থাৎ এই সময়ে এ ধরনের অপরাধ বেড়েছে ৪০ শতাংশ।
আটটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদ এবং মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নিজস্ব পর্যালোচনা অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পর্নোগ্রাফির শিকার শিশুদের ক্ষেত্রে মামলা হয়েছে ১০টি। তবে এ ১০টি মামলা পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে হয়েছে কি না, সে তথ্য নেই সংস্থাটির কাছে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনটি প্রণয়ন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আইনটির আওতায় ১৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। চলমান মামলার সংখ্যা ১৩। তবে এসব মামলার মধ্যে কতটি শিশু পর্নোগ্রাফি-সংক্রান্ত সে তথ্য পাওয়া যায়নি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগের পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. নাজমুল ইসলাম জানালেন, গত এক বছরের মধ্যে শিশুরা পর্নোগ্রাফির শিকার হওয়া-সংক্রান্ত কোনো মামলা হয়নি।
রাজধানীর ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পর্নোগ্রাফির শিকার শিশুর অভিভাবকেরা অভিযোগ নিয়ে আসেন, তবে পরিবারের মানসম্মান এবং মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শেষ পর্যন্ত মামলা করতে চান না।
৪ অক্টোবর পিরোজপুরে চার স্কুলছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলে যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিজিৎ রাহুল ব্যাপারী (২৭) নামে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী এক ছাত্রীর বাবা মামলা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় পুলিশ অভিজিৎকে গ্রেপ্তার করেছে।
মামলার বাদী এক ছাত্রীর বাবা প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনাটি প্রথম ঘটেছিল ২০১৪ সালে। তখন ঘটনা চাপা দিয়ে রাখি ও অভিজিতের সঙ্গে আপস করতে বাধ্য হই। কিন্তু এবার আবার মেয়ের ছবিসহ চার মেয়ের ছবি ছড়িয়ে গেছে ফেসবুকে। আমার মেয়ের কাঁধে হাত দিয়ে অভিজিৎ ছবি তুলেছে এবং সেই ছবি ফেসবুকে ছেড়ে আমার মানসম্মান সব নষ্ট করে দিয়েছে।’
অবশ্য অভিজিতের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাচনাইন পারভেজ বলছেন, এ মামলায় পর্নোগ্রাফির কিছু পাওয়া যায়নি। তাঁর মতে, যে ছবিগুলো প্রকাশ পেয়েছে তাতে মেয়েদের মুখ দেখা যাচ্ছে। পেছন দিকে জড়িয়ে ধরে আছে এ ধরনের ছবি। এটি অশ্লীল ছবি না।
তবে সিআইডির সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার (ইকোনমিক ক্রাইম ও সাইবার ক্রাইম) মোল্যা নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনটি শক্তিশালী আইন। পর্নোগ্রাফির মামলা বিশেষ করে শিশুর ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা: পাঠক প্রতিক্রিয়া

জিততেই হতো—এমন ম্যাচে ইকুয়েডরকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসি হ্যাটট্রিক করে আরও একবার নিজের সামর্থ্যের পরিচয় দিয়েছেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে নয় হাজার ফুট উঁচুতে কিটোর মাঠটিও ছিল মেসিদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ। সব প্রতিকূলতা জয় করে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথম আলো ফেসবুকের পক্ষ থেকে আমরা পাঠক প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিলাম। ঘণ্টা খানেক সময়ের মধ্যেই সেখানে জমা হয় প্রায় এক হাজার মন্তব্য।

পাঠকেরা নানা দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁদের মতামত জানিয়েছেন। স্বভাবতই আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা ছিলেন উচ্ছ্বসিত। ব্রাজিল-সমর্থকদের অনেকেই অবশ্য অভিনন্দন জানিয়েছেন এই জয়ে। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সুন্দর ফুটবলের জয় দেখেছেন কেউ কেউ। আবার, জার্মানি, ইতালি এবং অন্যান্য দেশের সমর্থকেরা ছুড়ে দিয়েছেন চ্যালেঞ্জ।

লিওনেল মেসির ওয়ান ম্যান শোতে মুগ্ধ ছিলেন অনেক পাঠক। আফসানা লিখেছেন, ‘ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা থাকলেই ব্যর্থতাকে জয় করা যায়। মেসি তা করতে পেরেছে, অভিনন্দন লিও। রাশিয়ায় স্বাগতম।’ নাজনীন ফারহা লিখেছেন, ‘দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে একমাত্র কিংবদন্তিরাই ঘুরে দাঁড়িয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে পারে...লিওনেল মেসি কেন কিংবদন্তি, তা আজকে সবার সামনে প্রমাণ করে দিল...’। মো. মাহবুব লিখেছেন, ‘মেসি, এই খেলাটা ধারাবাহিকভাবে খেলতে পারলে রাশিয়া বিশ্বকাপ আর্জেন্টিনার।’ মুহাম্মদ শাহ জামাল লিখেছেন, ‘শচীন যেমন তাঁর শেষ বিশ্বকাপে হলেও কাপ দেখে যেতে পেরেছিলেন, সেভাবে হলেও মেসি যেন এ জীবনে একটা বিশ্বকাপ দেখে যেতে পারেন। এত সুদক্ষ একজন শিল্পী খেলোয়াড়ের জীবনে সেটা না হলে আমাদের আপামর ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের একটা আফসোস থেকে যাবে।’

ব্রাজিল-সমর্থকদের একটা বড় অংশ কিন্তু আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপে টিকিট পাওয়াতে ব্রাজিলেরও ভূমিকা দেখছেন। সৈয়দ শাহ আলম তারেক লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনার এই জয়ে যতটা না তাদের অবদান, ঠিক ততটা ব্রাজিলেরও। ব্রাজিল হারলে কিন্তু এত লাফালাফি করার চান্সই পেতেন না ডিয়ার আর্জেন্টাইন।’ অনির্বাণ দাশ লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনা আজ রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল। কিন্তু আর্জেন্টিনার বাংলাদেশি সমর্থকদের দেখে মনে হচ্ছে তারা বিশ্বকাপ জিতে গেছে।’

এ ধরনের মন্তব্যের উত্তরে সাজ্জাদ হোসাইন মেহেদি লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনা কারও করুণায় বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না। নিজেদের যোগ্যতায় যাচ্ছে। যেসব ব্রাজিল-সমর্থক বলছেন ব্রাজিল না জিতলে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপে যেতে পারত না, তাঁরা নিচু মনমানসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন!’

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতবে, তাদের সমর্থকদের এমন ধরনের মন্তব্যের জবাবে সেলিম মাহামুদ লিখেছেন, ‘যেখানে বিশ্বকাপের নির্বাচনীতেই উঠতে পারছিল না, সেখানে কাপ জেতাটা হাস্যকর শোনায়।’ মো. সানি লিখেছেন, ‘বাছাইপর্ব পার হতেই এত কিছু করা লাগল, শিরোপা প্রত্যাশাটা কি একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না?’ মো. নুর আহম্মদ আলী লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনার যে উদ্‌যাপন দেখলাম আজকে, ব্রাজিল বিশ্বকাপ জিতেও তো মনে হয় এত উদ্‌যাপন করেনি।’

আবার ব্রাজিল-সমর্থকদের এক হাত নিয়েছেন কেউ কেউ। এইচ এম আলামিন লিখেছেন, ‘ওই সব ব্রাজিলিয়ান ফ্যানের জন্য সমবেদনা, যারা ভেবেছিল আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ খেলতে পারবে না। ওহে হেটাররা, তোমরা হয়তো জানতে না, সবকিছুর শেষ যেখানে, বস মেসির শুরু সেখান থেকেই...হ্যাটট্রিক! ব্রাজিলিয়ানরা আজ কেমন বোধ করছ...?’

আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখে মোহাম্মদ রেজাউল করিম কিছুটা মজা করে লিখেছেন, ‘ভেবেছিলাম আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জয় করেছে। এ জন্য মেসিকে অভিন্দনও জানিয়েছিলাম। কিন্তু হায়! পরে দেখি শেষ ম্যাচে ইকুয়েডরকে হারিয়ে তাঁরা বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছে!’ মো. আল-আমিন লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনার মতো তারকাবহুল দলের এত কষ্ট করে বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়া সত্যিই হতাশাজনক। তবু মূল পর্বে জায়গা পেয়ে কোটি ভক্তের মনে আশা জাগিয়েছে বিশ্বকাপে ভালো কিছু করার। অভিনন্দন মেসি, শুভকামনা আর্জেন্টিনা।’ আহমে দজাহিদ লিখেছেন, ‘অভিনন্দন আর্জেন্টিনাকে। আমি আর্জেন্টিনা ছাড়া বিশ্বকাপ ফুটবল কল্পনা করতে পারি না। যদিও আমি জার্মানির সমর্থক। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলের খবরই প্রথম আলোতে পেতে চাই।’

জার্মানির সমর্থক অলিভ সরল সোহেল আর্জেন্টিনার সমর্থকদের প্রতি ছুড়ে দিয়েছেন চ্যালেঞ্জ। তিনি লিখেছেন, ‘অভিনন্দন আর্জেন্টিনা, আমরা জার্মানির সাপোর্টাররা তোমাদের অপেক্ষায় ছিলাম, তোমাদের না হারাতে পারলে যে আমরা বিশ্বকাপে শান্তি পাব না।’ মাহাবুব আলম সেতু লিখেছেন, ‘জার্মানি থাকতে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার কোনো গল্প হবে না। ওরা লাফালাফি করে মরুক, কাপটা জার্মানি ঠিক সময় নিয়ে যাবে। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার খাজনার চাইতে বাজনা সব সময় বেশি থাকে, কিন্তু কাজের বেলাই লবডঙ্কা।’

আমাদের ফেসবুক পোস্টে সমর্থকদের কথার লড়াই বেশ উপভোগ্য ছিল। কেউ কারও নাহি ছাড়ে—এ রকম ছিল মন্তব্য এবং পাল্টা উত্তরগুলো। গঠনমূলক কথাবার্তা ছিল অনেকের মন্তব্যে। তবে অন্ধভাবে সমর্থন নয়, অনেক পাঠক সুন্দর ফুটবলেরই পক্ষে। সুন্দর খেলার স্বার্থে তাঁরা চান সব ভালো দলই রাশিয়ার বিশ্বকাপে খেলুক।

https://www.facebook.com/share/v8rScxfmcdXsCUdb/?mibextid=qi2Omg 🔥 Canva Pro মাত্র ৪৯ টাকায়। 🔥 ✅ আগে ডেলিভারি নিবেন পরে পেমেন্ট করবেন। ...