রাজধানীর দারুসসালাম থানার বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট সাব্বির, তার মা সুলতানাসহ চার আসামিকে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মোঃ আমিরুল ইসলাম তাদেরকে ঢাকার সি.এম.এম আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম শুনানি শেষে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
যাদের রিমান্ড দেয়া হয়েছে তারা হলেন- বিমানের পাইলট সাব্বিরকে সাত দিন, তার মা সুলতানাকে পাঁচ দিন এবং আসিফুর রহমান আসিফ ও মোঃ আলম প্রত্যেককে ছয় দিন।
রিমান্ড প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের দারুসসালাম এলাকা থেকে তাদের আটক করে র্যাব। বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের জিম্মি করে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তারা।
বিমানের আগে সাব্বির রিজেন্ট এয়ারলাইন্সে পাঁচ বছর কাজ করেন। সর্বশেষ সোমবার সন্ধ্যায়ও তিনি বিমানের ঢাকা-কলকাতা-ঢাকার একটি ফ্লাইট পরিচালনা করেন।
গ্রেফতারকৃত পাইলট সাব্বির এমাম সাব্বির (৩১) দারুস সালামের বর্ধনবাড়ি এলাকায় থাকেন। তিনি ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি থেকে বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ নেন। ২০১০-১৪ পর্যন্ত রিজেন্ট এয়ারলাইন্সে চাকরি করেন। এ সময় স্পেন থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেন তিনি। ২০১৪ সাল হতে তিনি বাংলাদেশ বিমানের পাইলট হিসেবে চাকরিরত।
তিনি দুবাই, কাতার, মাসকাট, সিঙ্গাপুর, মালেয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং দেশের আভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট ছাড়াও অন্যান্য আরো অনেক দেশে বিমানের পাইলট হিসেবে কাজ করেন।
সম্প্রতি র্যাবের ঘিরে রাখা দারুস সালামের আস্তানায় বিস্ফোরণে নিহত আবদুল্লাহর সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। এ ছাড়াও নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা সারোয়ার জাহানের কাছ থেকে বায়াত গ্রহণ করেন সাব্বির।
গুলশান হামলার আগে ও পরে আবদুল্লাহ, গ্রেফতারকৃত পাইলট সাব্বির, সারোয়ার একত্রে নাশকতার পরিকল্পনা করেন।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গ্রেফতারকৃত পাইলট সাব্বির বিমান চালিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের বাসভবনে আঘাতের অথবা বিমানের যাত্রীদের জিম্মি করে মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন।
তার চাকরির ভাতা বাবদ ১০ লাখ টাকা পাওয়ার কথা ছিল এবং টাকাগুলো পেলেই সংগঠনে দান করবেন বলে আবদুল্লাহকে কথা দিয়েছিলেন তিনি।
আসামিরা কেন এ ধরনের কাজের সাথে যুক্ত হয়েছে তার মূল রহস্য উদঘাটন ও সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ডে নেয়া প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আজ বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মোঃ আমিরুল ইসলাম তাদেরকে ঢাকার সি.এম.এম আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম শুনানি শেষে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
যাদের রিমান্ড দেয়া হয়েছে তারা হলেন- বিমানের পাইলট সাব্বিরকে সাত দিন, তার মা সুলতানাকে পাঁচ দিন এবং আসিফুর রহমান আসিফ ও মোঃ আলম প্রত্যেককে ছয় দিন।
রিমান্ড প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের দারুসসালাম এলাকা থেকে তাদের আটক করে র্যাব। বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের জিম্মি করে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তারা।
বিমানের আগে সাব্বির রিজেন্ট এয়ারলাইন্সে পাঁচ বছর কাজ করেন। সর্বশেষ সোমবার সন্ধ্যায়ও তিনি বিমানের ঢাকা-কলকাতা-ঢাকার একটি ফ্লাইট পরিচালনা করেন।
গ্রেফতারকৃত পাইলট সাব্বির এমাম সাব্বির (৩১) দারুস সালামের বর্ধনবাড়ি এলাকায় থাকেন। তিনি ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি থেকে বিমান চালানোর প্রশিক্ষণ নেন। ২০১০-১৪ পর্যন্ত রিজেন্ট এয়ারলাইন্সে চাকরি করেন। এ সময় স্পেন থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেন তিনি। ২০১৪ সাল হতে তিনি বাংলাদেশ বিমানের পাইলট হিসেবে চাকরিরত।
তিনি দুবাই, কাতার, মাসকাট, সিঙ্গাপুর, মালেয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং দেশের আভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট ছাড়াও অন্যান্য আরো অনেক দেশে বিমানের পাইলট হিসেবে কাজ করেন।
সম্প্রতি র্যাবের ঘিরে রাখা দারুস সালামের আস্তানায় বিস্ফোরণে নিহত আবদুল্লাহর সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। এ ছাড়াও নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতা সারোয়ার জাহানের কাছ থেকে বায়াত গ্রহণ করেন সাব্বির।
গুলশান হামলার আগে ও পরে আবদুল্লাহ, গ্রেফতারকৃত পাইলট সাব্বির, সারোয়ার একত্রে নাশকতার পরিকল্পনা করেন।
পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গ্রেফতারকৃত পাইলট সাব্বির বিমান চালিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের বাসভবনে আঘাতের অথবা বিমানের যাত্রীদের জিম্মি করে মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন।
তার চাকরির ভাতা বাবদ ১০ লাখ টাকা পাওয়ার কথা ছিল এবং টাকাগুলো পেলেই সংগঠনে দান করবেন বলে আবদুল্লাহকে কথা দিয়েছিলেন তিনি।
আসামিরা কেন এ ধরনের কাজের সাথে যুক্ত হয়েছে তার মূল রহস্য উদঘাটন ও সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ডে নেয়া প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

No comments:
Post a Comment