ঢাকার ফুটবলে পাওয়া গেল নতুন ইংলিশ তারকা চার্লি শেরিংহামের আগমনধ্বনি। সাইফ স্পোর্টিংয়ের হয়ে আজই অভিষেক হলো তাঁর। চার্লির দুর্দান্ত এক গোল ও ওয়েডসনের স্পট কিকের গোলই আবাহনী লিমিটেডের সঙ্গে ব্যবধান গড়ে দিল সাইফের। আবাহনীকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে সাইফ স্পোর্টিং।
ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার টেডি শেরিংহামের ছেলে চার্লি। টেডি শেরিংহামের ইংল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সিতে ৫১ ম্যাচে আছে ১১ গোল। ইংল্যান্ডের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা বিখ্যাত বাবার ছেলে চার্লির ঢাকা মিশন শুরু হলো গোল দিয়ে।
লম্বা ঝুঁটি বাঁধা চুলে সানডে সিজোবাকে আগে কখনো দেখা গেছে? নিশ্চয় নয়। মিডফিল্ডার হিসেবেও ঢাকার মাঠে আগে কখনো খেলতে দেখা যায়নি ওয়েডসন এনসেলমেকে। ঢাকায় প্রত্যাবর্তন ম্যাচে আজ দুজনকেই বড় অপরিচিত লাগছিল। কি বেশভূষা, কি মাঠের পারফরম্যান্সে। চার্লির আবির্ভাবের দিনে পুরোনো এই দুই তারকা থাকলেন অনুজ্জ্বল হয়ে।
২ পয়েন্ট ব্যবধানে দুই দলই শিরোপার দৌড়ে থাকায় ম্যাচটির উত্তাপ ছিল ভালোই। এই উত্তাপের মধ্যে এক মৌসুম পরে সাইফের জার্সিতে ঢাকায় ওয়েডসনের ফেরা, আবাহনীতে সানডের অন্তর্ভুক্তি এবং নতুন ইংলিশ ফুটবলার চার্লি শেরিংহামের সূচনালগ্ন। অনেকে তো লাগিয়ে দিয়েছিল সানডে-ওয়েডসন দ্বৈরথ ট্যাগও। সব মিলিয়ে ম্যাচটির গুরুত্ব বেড়ে যায় আরও বেশি। শেষ পর্যন্ত একচেটিয়া দুর্দান্ত ফুটবল খেলে জিতে বেশ ভালোভাবেই শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে গেল সাইফ স্পোর্টিং। ১২ ম্যাচ শেষে সাইফের পয়েন্ট ২৫। আর সমান ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ২৪। সাইফের ওপরে আছে কেবল চট্টগ্রাম আবাহনী।
আজ আবাহনীর খেলা দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি দলটি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। মাঝমাঠের নাটাইটা একবারও নিজেদের হাতে নিতে পারেনি। পুরোটা সময় শুধু ঠেকিয়েই গেল। সাত মিনিটে জামালের দূরপাল্লার শট কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করা দিয়ে শুরু হয় ঠেকানো পর্ব। ১৯ মিনিটে মতিনের ক্রস থেকে ডি-বক্সের মধ্যে বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলেও গোল না করতে পারার ব্যর্থতা ইংলিশ তারকা শেরিংহামের। ছয় মিনিট পরে ওয়েডসনের রক্ষণচেরা পাস থেকে আরও একটি ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন এই ইংলিশ। কিন্তু ঢাকায় প্রথম ম্যাচে কিছুটা জড়তা থাকায় সময়ের অপচয়। তবে ৭৫ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার কর্নারে পর্দার অন্তরাল থেকে বের হয়ে হেডে দুর্দান্ত গোল করে জাত চিনিয়েছেন চার্লি শেরিংহাম।
গোল দিয়ে ঢাকা পর্বটা শুরু করতে পেরে ম্যাচ শেষে উৎফুল্ল প্রকাশের সঙ্গে দুটি বাস্তব কথাও শোনালেন, ‘আমি পুরোপুরি ভিন্ন পরিবেশ থেকে এসেছি। ঢাকার ফুটবল আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।’ ঢাকায় পা রাখার আগে শেষ বছরে খেলেছেন ইংল্যান্ডের সেমি পেশাদার লিগে। তবে বর্তমান ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব বোর্নমাউথেও খেলার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর।
শেরিংহামের আগে ৩২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সাইফকে এগিয়ে নিয়েছিলেন ওয়েডসন। আবাহনীর হয়ে পেনাল্টি থেকে একটি গোল পরিশোধ করেছেন সানডে।
সানডে ও ওয়েডসনকে আজ তেমন খুঁজেই পাওয়া যায়নি। মূলত উইঙ্গার ও মূল স্ট্রাইকার হিসেবে খেলা ওয়েডসনকে সাইফ কোচ আজ খেলিয়েছেন আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে। ফলে শেখ জামালের জার্সিতে দেখা সেই তেড়েফুঁড়ে যাওয়া ওয়েডসনকে পাওয়া গেল না আজ। হয়তো নতুন পজিশনে অভ্যস্ত নয় বলেই।
ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার টেডি শেরিংহামের ছেলে চার্লি। টেডি শেরিংহামের ইংল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সিতে ৫১ ম্যাচে আছে ১১ গোল। ইংল্যান্ডের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা বিখ্যাত বাবার ছেলে চার্লির ঢাকা মিশন শুরু হলো গোল দিয়ে।
লম্বা ঝুঁটি বাঁধা চুলে সানডে সিজোবাকে আগে কখনো দেখা গেছে? নিশ্চয় নয়। মিডফিল্ডার হিসেবেও ঢাকার মাঠে আগে কখনো খেলতে দেখা যায়নি ওয়েডসন এনসেলমেকে। ঢাকায় প্রত্যাবর্তন ম্যাচে আজ দুজনকেই বড় অপরিচিত লাগছিল। কি বেশভূষা, কি মাঠের পারফরম্যান্সে। চার্লির আবির্ভাবের দিনে পুরোনো এই দুই তারকা থাকলেন অনুজ্জ্বল হয়ে।
২ পয়েন্ট ব্যবধানে দুই দলই শিরোপার দৌড়ে থাকায় ম্যাচটির উত্তাপ ছিল ভালোই। এই উত্তাপের মধ্যে এক মৌসুম পরে সাইফের জার্সিতে ঢাকায় ওয়েডসনের ফেরা, আবাহনীতে সানডের অন্তর্ভুক্তি এবং নতুন ইংলিশ ফুটবলার চার্লি শেরিংহামের সূচনালগ্ন। অনেকে তো লাগিয়ে দিয়েছিল সানডে-ওয়েডসন দ্বৈরথ ট্যাগও। সব মিলিয়ে ম্যাচটির গুরুত্ব বেড়ে যায় আরও বেশি। শেষ পর্যন্ত একচেটিয়া দুর্দান্ত ফুটবল খেলে জিতে বেশ ভালোভাবেই শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে গেল সাইফ স্পোর্টিং। ১২ ম্যাচ শেষে সাইফের পয়েন্ট ২৫। আর সমান ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ২৪। সাইফের ওপরে আছে কেবল চট্টগ্রাম আবাহনী।
আজ আবাহনীর খেলা দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি দলটি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। মাঝমাঠের নাটাইটা একবারও নিজেদের হাতে নিতে পারেনি। পুরোটা সময় শুধু ঠেকিয়েই গেল। সাত মিনিটে জামালের দূরপাল্লার শট কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করা দিয়ে শুরু হয় ঠেকানো পর্ব। ১৯ মিনিটে মতিনের ক্রস থেকে ডি-বক্সের মধ্যে বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলেও গোল না করতে পারার ব্যর্থতা ইংলিশ তারকা শেরিংহামের। ছয় মিনিট পরে ওয়েডসনের রক্ষণচেরা পাস থেকে আরও একটি ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন এই ইংলিশ। কিন্তু ঢাকায় প্রথম ম্যাচে কিছুটা জড়তা থাকায় সময়ের অপচয়। তবে ৭৫ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার কর্নারে পর্দার অন্তরাল থেকে বের হয়ে হেডে দুর্দান্ত গোল করে জাত চিনিয়েছেন চার্লি শেরিংহাম।
গোল দিয়ে ঢাকা পর্বটা শুরু করতে পেরে ম্যাচ শেষে উৎফুল্ল প্রকাশের সঙ্গে দুটি বাস্তব কথাও শোনালেন, ‘আমি পুরোপুরি ভিন্ন পরিবেশ থেকে এসেছি। ঢাকার ফুটবল আমার জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।’ ঢাকায় পা রাখার আগে শেষ বছরে খেলেছেন ইংল্যান্ডের সেমি পেশাদার লিগে। তবে বর্তমান ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব বোর্নমাউথেও খেলার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর।
শেরিংহামের আগে ৩২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে সাইফকে এগিয়ে নিয়েছিলেন ওয়েডসন। আবাহনীর হয়ে পেনাল্টি থেকে একটি গোল পরিশোধ করেছেন সানডে।
সানডে ও ওয়েডসনকে আজ তেমন খুঁজেই পাওয়া যায়নি। মূলত উইঙ্গার ও মূল স্ট্রাইকার হিসেবে খেলা ওয়েডসনকে সাইফ কোচ আজ খেলিয়েছেন আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে। ফলে শেখ জামালের জার্সিতে দেখা সেই তেড়েফুঁড়ে যাওয়া ওয়েডসনকে পাওয়া গেল না আজ। হয়তো নতুন পজিশনে অভ্যস্ত নয় বলেই।

No comments:
Post a Comment