দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। পুড়ছে ঘর-বাড়ি, বাদ যায়নি নিরীহ গৃহপালিত পশুগুলোও। আগুনের লেলিহান শিখায় বিপর্যস্ত চারপাশ। বাতাসে ভেসে আসে লাশের গন্ধ। এমন লোমহর্ষক অবস্থায় আর সব রোহিঙ্গার মতো পরিবার-পরিজনের সঙ্গে দেশ ছাড়তে হয়েছে মোহাম্মদ আইয়ুব খানকেও। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তাদের সবারই আশ্রয়স্থল এখন বাংলাদেশ।
মা-বাবা ও নয় ভাইবোনের সঙ্গে বাড়ির মায়া ত্যাগ করার সময় বের হয়েছিলেন বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে। উত্তাল সাগরে গা ভাসানোর আগে মনে ছিল প্রশ্ন, ‘বাঁচা যাবে তো?’ এমন সন্দিহান জীবন নিয়েও বাড়ি ছাড়ার সময় সঙ্গে নিয়েছিলেন প্রিয় একটি জিনিস, ফুটবল খেলায় পায়ে দেওয়ার বুট। নিজেকে মনে মনে বলেছিলেন, ‘বেঁচে থাকলে ফুটবলও তো খেলা যাবে।’
বেঁচে আছেন আইয়ুব। কক্সবাজারের বালুখালি ক্যাম্পে প্রায় দুই মাস কাটানোর পরে কয়েক দিন ধরে আছেন কক্সবাজার শহরে এক পরিচিতজনের বাড়িতে। সেখান থেকেই ফোনে জানান ফুটবল হওয়ার স্বপ্নের গল্প, ‘ছোটবেলা থেকেই ফুটবল খেলি। ফুটবলের জন্য পড়াশোনাটাও করিনি বেশি। বিভিন্ন জেলায় গিয়ে ফুটবল খেলেছি। কিন্তু ভালো খেললেও রোহিঙ্গা হওয়ায় কখনো মংডু দলে জায়গা পায়নি। তবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নটা এখনো দেখি। সুযোগ পেলেই পারব।’আইয়ুব খানের বয়স ২২। বাবা ইমান হোসেন কলেজের শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও নিজে লেভেল টেন শেষ করে ফুটবলের জন্যই আর পড়াশোনা এগিয়ে নেননি। হতে চেয়েছিলেন বড় ফুটবলার। কিন্তু ভাগ্যের কাছে হেরে তিনি এখন শরণার্থী। পরবাসী মানেই দুর্বিষহ জীবন। এরই মাঝে ফুটবলের টানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঠিকই খুঁজে নিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল টিম পেজ। সেখানেই খুদে বার্তার মাধ্যমে প্রথমে নিজের পরিচয়, অবস্থান ও স্বপ্নের কথাটা জানান আইয়ুব। সে সূত্র ধরে প্রথম আলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও নিজের মনের আকুতিটা জানান, ‘বেঁচেই যখন আছি, তখন ফুটবল খেলতে চাই। নিজের স্বপ্নটা পূরণ করতে চাই। বাংলাদেশের কোনো ক্লাব যদি আমাকে অনুশীলনের সুযোগ দিত।’
নয় ভাইবোনের মধ্যে আইয়ুব সবার ছোট। মা-বাবা, ভাইবোনেরা থাকেন বালুখালি ক্যাম্পে। এর মধ্যে এক বোন বয়ে বেড়াচ্ছেন গুলির চিহ্ন। মংডু ছাড়ার সময় গুলির আঘাতে আহত হয়েছিলেন বড় বোনটি। পরে চিকিৎসা শেষে এখন সুস্থই আছেন ক্যাম্পে।
ফুটবল প্রেম বুকে নিয়ে এখন দিন কাটছে আইয়ুবের। ফেসবুকের কভার ফটোতে বার্সেলোনার জার্সিতে লিওনেল মেসির ছবি। আর টাইমলাইনজুড়ে রোহিঙ্গাদের দুর্দশার চিত্র। ফুটবল আর শরণার্থী পরিচয়—এ নিয়েই এখন দিন কাটছে আইয়ুবের।
মা-বাবা ও নয় ভাইবোনের সঙ্গে বাড়ির মায়া ত্যাগ করার সময় বের হয়েছিলেন বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে। উত্তাল সাগরে গা ভাসানোর আগে মনে ছিল প্রশ্ন, ‘বাঁচা যাবে তো?’ এমন সন্দিহান জীবন নিয়েও বাড়ি ছাড়ার সময় সঙ্গে নিয়েছিলেন প্রিয় একটি জিনিস, ফুটবল খেলায় পায়ে দেওয়ার বুট। নিজেকে মনে মনে বলেছিলেন, ‘বেঁচে থাকলে ফুটবলও তো খেলা যাবে।’
বেঁচে আছেন আইয়ুব। কক্সবাজারের বালুখালি ক্যাম্পে প্রায় দুই মাস কাটানোর পরে কয়েক দিন ধরে আছেন কক্সবাজার শহরে এক পরিচিতজনের বাড়িতে। সেখান থেকেই ফোনে জানান ফুটবল হওয়ার স্বপ্নের গল্প, ‘ছোটবেলা থেকেই ফুটবল খেলি। ফুটবলের জন্য পড়াশোনাটাও করিনি বেশি। বিভিন্ন জেলায় গিয়ে ফুটবল খেলেছি। কিন্তু ভালো খেললেও রোহিঙ্গা হওয়ায় কখনো মংডু দলে জায়গা পায়নি। তবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্নটা এখনো দেখি। সুযোগ পেলেই পারব।’আইয়ুব খানের বয়স ২২। বাবা ইমান হোসেন কলেজের শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও নিজে লেভেল টেন শেষ করে ফুটবলের জন্যই আর পড়াশোনা এগিয়ে নেননি। হতে চেয়েছিলেন বড় ফুটবলার। কিন্তু ভাগ্যের কাছে হেরে তিনি এখন শরণার্থী। পরবাসী মানেই দুর্বিষহ জীবন। এরই মাঝে ফুটবলের টানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঠিকই খুঁজে নিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল টিম পেজ। সেখানেই খুদে বার্তার মাধ্যমে প্রথমে নিজের পরিচয়, অবস্থান ও স্বপ্নের কথাটা জানান আইয়ুব। সে সূত্র ধরে প্রথম আলোর সঙ্গে যোগাযোগ ও নিজের মনের আকুতিটা জানান, ‘বেঁচেই যখন আছি, তখন ফুটবল খেলতে চাই। নিজের স্বপ্নটা পূরণ করতে চাই। বাংলাদেশের কোনো ক্লাব যদি আমাকে অনুশীলনের সুযোগ দিত।’
নয় ভাইবোনের মধ্যে আইয়ুব সবার ছোট। মা-বাবা, ভাইবোনেরা থাকেন বালুখালি ক্যাম্পে। এর মধ্যে এক বোন বয়ে বেড়াচ্ছেন গুলির চিহ্ন। মংডু ছাড়ার সময় গুলির আঘাতে আহত হয়েছিলেন বড় বোনটি। পরে চিকিৎসা শেষে এখন সুস্থই আছেন ক্যাম্পে।
ফুটবল প্রেম বুকে নিয়ে এখন দিন কাটছে আইয়ুবের। ফেসবুকের কভার ফটোতে বার্সেলোনার জার্সিতে লিওনেল মেসির ছবি। আর টাইমলাইনজুড়ে রোহিঙ্গাদের দুর্দশার চিত্র। ফুটবল আর শরণার্থী পরিচয়—এ নিয়েই এখন দিন কাটছে আইয়ুবের।

No comments:
Post a Comment